জঙ্গিবাদ ও উগ্র সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট যুক্তরাষ্ট্র। দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদ দমন, সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক গুড়িয়ে দেওয়া ও অর্থায়ন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া, আঞ্চলিক পর্যায়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় নেতৃত্ব দেওয়া, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের ব্যাপক প্রশংসা করছে। বিশ্বব্যাপী যখন বিভিন্ন দেশে একের পর এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটছে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়তা ও কঠোর মনোভাব নিয়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে। এখন সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরো বাড়াতে, নিরাপত্তা ইস্যুতে সহযোগিতা জোরদারে সরকারের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সংলাপসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন পর্যায়ে এ ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে।
বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কিভাবে আরো বাড়ানো যায়, দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহায়তা, প্রতিরক্ষা বাণিজ্য নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হচ্ছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, যুক্তরাষ্ট্রের ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলের লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।
দুই দেশের রাজনৈতিক, নীতি নির্ধারণী ও কর্মকর্তা পর্যায়ের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রশিক্ষণ, তথ্য বিনিময়, আধুনিক সরঞ্জাম ও যৌথ অনুশীলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। অন্যদিকে সমুদ্র নিরাপত্তা বাড়ানো ও ব্লু ইকোনমির সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি কাজে লাগাতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র্রের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে নিরাপত্তা, সামরিক সহযোগিতা, সামরিক বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে নতুনভাবে অগ্রসর হতে যাচ্ছে দুই দেশ।
