‘জামায়াত নিষিদ্ধে সুযোগ এসেছে, বিল আনুন’

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৫
গতকাল সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। আর এ জন্য সংসদে বিল আনার প্রস্তাব করে বগুড়া থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান, ‘এবার সুযোগ এসেছে। রাজনীতি থেকে জামায়াত নামক আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে।’ ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীর সভাপতিত্বে আলোচনার সূত্রপাত করেন এ. কে. এম রহমতুল্লাহ। মাগরিবের নামাজের বিরতির আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জামায়াতকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের পুনর্বাসন করেছেন। আমি বলতে চাই জিয়াউর রহমান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। চিহ্নিত রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে জিয়াউর রহমান সে প্রমাণ দিয়েছেন। বিএনপির রাজনীতিতে যেসব মুক্তিযোদ্ধা সক্রিয় রয়েছেন তাদেরকে আমি আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে বিএনপির নেতারা মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছেন। সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কোন প্রভাবিত না করে আইন সংশোধন করেছে। আইনের দুর্বলতা দূর করা হয়েছে। বিচারের ক্ষেত্রে কোন হাত দেয়া হয়নি। জাতীয় পার্টির (এ) মো. মুজিবুল হক চুন্নু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বিচারের রায়ে কাদের মোল্লার কেন ফাঁসি হয়নি? আমাদেরকে বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। প্রসিকিউশনের কোন দুর্বলতা ছিলো কিনা? তাছাড়া আইনটি করার সময় কি কারণে আপিল করার সুযোগ রাখা হলো না? যদি সে সুযোগ থাকতো তাহলে রায়ের পরই আপিল করা যেতো। এর আগে পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খোন্দকার বলেন, মূল্যস্ফীতি কমে এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন খাতের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল। আলোচনায় আরও অংশ নেন মো. শাহাবুদ্দিন, জাহানারা বেগম ও মোসাম্মত্ ফরিদা আক্তার প্রমুখ।