নতুন প্রজন্মের সম্মিলন দেখে অভিভূত অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক দল

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৮
রাজধানীর শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে তরুণ প্রজন্মের সমাবেশ দেখে অভিভূত অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক প্রতিনিধি দল। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ছয়জন সিনিয়র সাংবাদিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাঁচদিন বাংলাদেশ সফর করেন। একদিন তারা রাজধানীর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন। এরই মধ্যে স্বাভাবিকভাবে প্রজন্ম চত্বরের সমাবেশ সম্পর্কে অবহিত হন। কেন, কোন দাবিতে তারা এখানে সমবেত হয়েছে এটা জানতে পেরে অভিভূত হন সাংবাদিকরা। এ বিষয়ে ইত্তেফাক প্রতিনিধিকে অস্ট্রেলীয় সাংবাদিকরা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি কঠিন ও নড়বড়ে বলেই জেনেছি। কিন্তু প্রজন্ম চত্বর দেখে মনে হল তরুণ সমাজ বেশ সৃষ্টিশীল। রাজনীতির সনাতন ধারার বাইরে এসে তারা সোচ্চার হয়েছে এবং পুরো দেশবাসী এতে সমর্থন ও সাহস যোগাচ্ছে। রাজনীতিবিদরাও এদের এড়াতে পারছে না। এটাই গণতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ। ছয় অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক বেসরকারিভাবে সুন্দরবন, খুলনা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। ঢাকাস্থ অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনের সহায়তায় তাদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আয়োজন করে বেসরকারি সংস্থা ‘এক্সপেরিয়েন্স বাংলাদেশ।’ সফরশেষে গুলশানে অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনের বাসভবনে সোমবার রাতে এক অনুষ্ঠানে তারা বলেন, বাংলাদেশকে এতদিন জেনেছি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর দারিদ্র্যপীড়িত একটি দেশ হিসাবে। কিন্তু এই ভ্রমণে ধারণা সম্পূর্ণ পাল্টে গেল। সবুজ বনরাজি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আর সমুদ্র ও নদ-নদী ভরা দেশটি খুবই সুন্দর। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মহিলাদের সৃজনশীলতা অভাবনীয়।এখানকার মানুষ সত্যিই অতিথি পরায়ণ ও আন্তরিক। অস্ট্রেলীয় ও পশ্চিমা পর্যটকদের বেড়ানোর জন্য বাংলাদেশকেই বেছে নেয়া উচিত। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ফারুক খান, অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনার গ্রেগ উইলকক, এক্সপেরিয়েন্স বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সারাহ সিদ্দিকি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ছয় অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক হলেন দি অস্ট্রেলিয়ানের হেলেন এন্ডারসন, সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের মার্ক ডেপিন, কুরিয়ার মেইলের গিলান কুমিং মাইন্ড ফুড ম্যাগাজিনের জোয়ানা তোভিয়া, ফেয়ার ফক্স মিডিয়া কলামিস্ট পল সেহেন ও কেলি আয়ারভিং। এই ছয় সাংবাদিক বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে নিজ নিজ গণমাধ্যমে লিখবেন বলে জানান।