রাজারহাটে আলু চাষে শতলোকের ভাগ্য বদল

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩১
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আলু চাষে বদলে গেছে রাজারহাটের তিস্তার চরের ৩০টি গ্রাম। পর পর দু’বার লোকসান কাটিয়ে উঠতে এবার আলু চাষে ঝুঁকে পড়েছে উপজেলার আলুর চর নামে পরিচিত তিস্তা নদী চরের ২০টি গ্রাম। চরের গ্রামগুলোর চারদিকে চোখ ফেললেই দেখা যায় আলুসহ নানা ধরনের সবজির ক্ষেত। এখানকার কৃষক আলু চাষ করে পাল্টে ফেলেছেন তাদের জীবনযাত্রার মান। কয়েক বছর আগে তাদের অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। পরপর দু’বার লোকসান গোনার পর এবার আলু চাষে ঝাঁপিয়ে পড়ে কৃষক। ফলনও হয়েছে বাম্পার। এতে দু’বারের ক্ষতি পুষিয়ে লাভের আশা করছেন চাষীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার পাড়ামৌলার চর হায়বত্ খাঁর চর, তৈয়ব খাঁর চর, শিয়াল খাওয়ার চর, চর বিদ্যানন্দ, চতুরা, মন্দির, কালির মেলা, চর খিতাব খাঁর চর, রামহরি, চর রতিদেব ও বিদ্যানন্দ ইউনিয়নসহ ৩টি ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের মানুষ আলু চাষ করে তাদের জীবনযাত্রার মান বদলে ফেলেছে। চরের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একর প্রতি আলু চাষে খরচ হয় ৮০-৯০ হাজার টাকা এবং উত্পাদিত আলু বিক্রি করে আয় হয় প্রায় ২ লাখ টাকা। আলু চাষী আইয়ুব আলী, মোখলেছ মিয়া, আবু বক্কর, মুকুল মিয়া, জাহাঙ্গীর, নূর ইসলাম, পেয়ারুল জানান, একসময় তাদের অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। তারপর দু’বার লোকসান গুণে সর্বস্বান্ত হয়েছিলাম। এ বছর সব লোকসান পুষিয়ে লাভের মুখ দেখেছি। বর্তমান বাদাম, পিঁয়াজ রোপণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ষষ্টী চন্দ্র রায় জানান, চলতি বছরে চরাঞ্চলে ২ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে।