রাজধানীর শাহবাগসহ সারাদেশে তারুণ্যের গণজাগরণের প্রতি একাত্মতা জানিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরাবাসী। মোমবাতি প্রজ্বলন, কবিতা আর গানে গানে ত্রিপুরার মানুষ এ আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। গতকাল বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের নো-ম্যানস ল্যান্ডে রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে একসঙ্গে কণ্ঠ মেলায় এপার ও ওপার বাংলার মানুষ।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পত্রিকা আজকের ফরিয়াদ, প্রাইম ফোকাস, বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবৃত্তি সংগঠন তিতাস, আখাউড়া প্রেসক্লাব, প্রজন্ম চত্বর, সীমান্ত সাংস্কৃতিক পরিষদ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সিএন্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন, রিপোর্টার্স ইউনিটি।
বেলা ১১টায় বাংলাদেশিদের সঙ্গে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরার বিধায়ক শামীপ দেব রায়। বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী অনিল সরকার, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী পবিত্র কর, আজকের ফরিয়াদের সম্পাদক শাণিত দেব রায়, ত্রিপুরার কবি শুভ্রজিত ভট্টাচার্য, আখাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন বাবুল, তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের পরিচালক মনির হোসেন, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সদস্য বিশ্বজিত্ পাল বাবু, আখাউড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্তী প্রমুখ। প্রদীপ প্রজ্বলনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইদুজ্জামান সরকার এমপি, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, কানু খাদেম, মো. রাজিব ভূঁইয়া প্রমুখ। মন্ত্রী অনিল সরকার পড়ে শুনান তার লেখা একটি কবিতা।
দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগের শ্লোগান কন্যা লাকী আক্তার মোবাইল ফোনে ত্রিপুরাবাসীকে এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান মঞ্চের পাশেই ছবি আঁকেন চিত্রশিল্পী স্বপন নন্দী। অনুষ্ঠানের শেষদিকে বাংলাদেশের আয়োজকদের হাতে শাহবাগের প্রতি সংহতির প্রকাশ হিসাবে ত্রিপুরাবাসীর একটি গণস্বাক্ষর ব্যানার তুলে দেয়া হয়।
