জামায়াত শিবির নতুন প্রজন্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৩
সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১-এর চেয়াম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার বীর উত্তম, ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ মে. জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ বীর উত্তম, মে. জেনারেল সি. আর দত্ত বীর উত্তম, লে. কর্ণেল আবু ওসমান চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা লেখক, সাংবাদিক হারুন হাবীব এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। গতকাল বুধবার দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, “যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে নতুন প্রজন্মের নবজাগরণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবির ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা পবিত্র ধর্ম ও মহানবীর নাম ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এই অপশক্তি ১৯৭১ সালের মতোই নবপ্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধাদের ‘মুরতাদ’ আখ্যায়িত করার অপকৌশল অবলম্বন করেছে। নবপ্রজন্মের এই নবজাগরণ একাত্তরের পবিত্র জাতীয় চেতনায় বাংলাদেশের হূত মর্যাদা পুনরুদ্ধারে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করছে। আমরা দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আপামর জনসাধারণকে জামায়াত-শিবির চক্রের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার আহ্বান জানাই। একইসঙ্গে যার যার অবস্থান থেকে নতুন প্রজন্মের জাগরণকে সর্বাত্মক সমর্থন জ্ঞাপন করার আহ্বান জানাই। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দেশের উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি, মিজানুর রহমান ভুঁইয়া সম্প্রতি নবপ্রজন্মের ব্লগার ও শাহবাগ আন্দোলনের প্রথম শহীদ আহমেদ রাজীব হায়দারকে ‘মুরতাদ’ উল্লেখ করে প্রচারপত্র বিলি করার মতো অপকর্মে জড়িত হয়েছেন। আমরা মনে করি, এই বিচারপতি তার সাংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করেছেন। আমরা অবিলম্বে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে এই বিতর্কিত বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার জোর দাবি জানাই।”