নূহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে ৯ জনকে গণপিটুনি

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৫
গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে ডাকাত সন্দেহে ৯ জন গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। পুলিশ আহতদের প্রথমে গাজীপুর সদর হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে বলা হয়েছে। আহতরা হলেন-শ্রীপুর উপজেলার ভাংনাহাটি এলাকার সুলতান উদ্দিন প্রধান (৪০), তার স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা (৩৫), ছেলে ইমন (১৩), একই উপজেলার বাগমারা এলাকার রুবেল মিয়া (২৫), গিলারচালা এলাকার রেজাউল করিম (২৫), মাওনা এলাকার সাকিব (২০) ও তামিম (১৮) এবং কেওয়া এলাকার আফজাল হোসেন রনি (২৩), মফিজুল ইসলাম (২৫)। নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, গত বুধবার রাত সাড়ে এগারটার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে করে ৯ জন নুহাশ পল্লীর প্রধান ফটকে এসে ফটক খোলার জন্য ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। ফটক না খুললে তারা দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে কর্মচারীদের জিম্মি করে। এ সময় তারা প্রধান ফটকের তালা ভেঙ্গে অন্যদের ভেতরে প্রবেশ করায়। পরে তারা বৃষ্টি বিলাসের দিকে গেলে নুহাশ পল্লীর কর্মচারীরা ডাকাত বলে চিত্কার দেয়। এ সময় এলাকাবাসী এসে তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। জয়দেবপুর থানার হোতাপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই রফিকুল ইসলাম আহতদের বরাত দিয়ে জানান, তারা জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কবরে মোমবাতি প্রজ্বলন করতে যান। এ সময় তারা গেটে বাধা পেয়ে বাউন্ডারি দেয়াল টপকে প্রধান ফটকের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে নুহাশ পল্লীর কর্মচারীরা ডাকাত বলে চিত্কার দিলে এলাকাবাসী তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতালে পাঠায়। তিনি আরো জানান, আহতদের কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। গাজীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক তপন কান্তি সরকার জানান, আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে বলা হয়েছে। আহতদেম মধ্যে ২-৩ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।