পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মাঠজুড়ে এখন গমের সমারোহ। ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে এ বছর চাষি বোরো চাষ কমিয়ে গম চাষে ঝুঁকেছে। লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে গম চাষ হয়েছে। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে ( ২০১২- ২০১৩) খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫৫ হাজার ৮৮৪ হেক্টরে। সেখানে চাষ হয়েছে ৫৬ হাজার ৭শ’ হেক্টরে। চাষি গম চাষ কমিয়ে দিয়ে বোরো চাষে ঝুঁকেছিল। কিন্তু ধানের দরপতনে চাষির লোকসান হয়। সাড়ে ৫শ’ টাকা মণদরে বিক্রি করে ধানের উত্পাদন খরচ ওঠে না। তাই তারা নতুন করে গম চাষে ঝুঁকেছে। গম চাষে খরচ কম। দু’টি সেচ দিলে চলে। আর আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলনও ভাল হয়। বর্তমানে অধিকাংশ গম ক্ষেতে শীষ বের হয়েছে। সরেজমিনে যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্নস্থানে ঘুরে দেখা যায় মাঠে মাঠে গমের সমারোহ। আগাম চাষ করা গম ক্ষেতগুলোর শীষ বের হয়েছে। শীষের আকারও বড় হয়েছে।
গতবছর গম ওঠার পর প্রতিমণ ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা দরে বিক্রি হয়। পরে প্রতিমণের দাম চড়ে সাড়ে ১১শ’ টাকা থেকে ১২শ’ টাকা পর্যন্ত হয়। চাষি অবশ্য চড়া দাম পায় না। বাম্পার লাভ করে ব্যবসায়ীরা। এ চড়া দাম দেখে চাষি গম চাষে ঝুঁকেছে।
