রামুতে ধ্বংস বৌদ্ধ মন্দির পুনঃনির্মাণে জার্মান সহায়তা

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:১৫
কক্সবাজারের রামুতে ধংসপ্রাপ্ত বৌদ্ধ মন্দিরের পার্শ্ববর্তী অবকাঠামো পুন:নির্মাণে সহায়তা দিচ্ছে জার্মান সরকার। বুধবার ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসে অবকাঠামো পুন:নির্মাণে সহায়তা বিষয়ক এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. আলব্রেস্ট কনসে, রামুতে ক্ষতিগ্রস্ত মূল মন্দিরের প্রধান উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক পরিক্ষিত রড়ুয়া, বৌদ্ধ ভিক্ষু আর্যবধি, বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব থিয়েটার আর্টসের নির্বাহী পরিচালক শিশির দত্ত। অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. আলব্রেস্ট কনসে বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। যেখানে ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়। ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র সব ধর্মেরই সমান অধিকার রক্ষা করে। এ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জার্মান সরকার অবকাঠামো নির্মাণে অনুদান দিচ্ছে। তিনি বলেন, অবকাঠামো হয়ত নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু হাজার বছরের যে ধর্মগ্রন্থগুলো পুড়ে গেছে তা আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। জার্মান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রামুতে ক্ষতিগ্রস্ত মূল মন্দিরের প্রধান উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক পরিক্ষিত রড়ুয়া বলেন, রামুতে শুধু মন্দিরই ধ্বংস হয়নি, সেখানে ধ্বংস হয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্য। বর্তমানে সরকার ১২টি মন্দির ও ৪০টি ঘরবাড়ি পুন:নির্মাণে সহায়তা দিচ্ছে। এর মধ্যে কিছু কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জার্মান সরকার মন্দিরের বাইরে অবকাঠামো পুন:নির্মাণে ৫২ লাখ টাকার অনুদান দিচ্ছে। এ টাকা দিয়ে মূল মন্দিরের পাশে একটি গ্রন্থাগার, জাদুঘর এবং একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।