ঝিনাইদহে তিন শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা একবছর পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ঘাতকদের সনাক্ত করতে পারেনি। এ নিয়ে নিহতদের পরিবারে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ার কারিগরি কলেজ ছাত্র হামিদুর রহমান শাহেদকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। তার বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। ৯ দিন পর শাহেদদের বাড়ির পাশে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির বালুর স্তূপের নিচ থেকে তার লাশ পাওয়া যায়। একবছরের বেশি সময় পার হলেও পুলিশ শাহেদের আসল খুনিদের ধরতে পারেনি।
গতবছরের ১৩ জানুয়ারি শহরের ব্যাপারিপাড়ার অন্তর রায় চৌধুরী খুন হয়। সে কাঞ্চননগর মডেল হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। বাড়ি থেকে বাবার কাছে মেহেরপুরের গাংনী যাওয়ার কখা বলে বের হয়েছিল। পরেরদিন সরকারি বালক বিদ্যালয়ের মাঠে তার এসিডে ঝলসানো লাশ পাওয়া যায়। এ খুনের কোন কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, এ দু’শিক্ষার্থী হত্যার ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ। শাহেদ হত্যার আসামিদের সনাক্ত করা সম্ভব হলেও রাজনৈতিক চাপ থাকায় তারা এগুতে পারছেন না। গতবছরের ১৫ মে রাতে অপহরণের পর সন্ত্রাসীরা শৈলকুপা উপজেলার ডিএম কলেজের ছাত্র বিপুল শেখকে হত্যা করে। তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়ার ইবি থানাধীন শান্তিডাঙ্গা গ্রামে। তাকে আনন্দনগর গ্রামের একটি কলাবাগানের ভিতর গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী অফিসার শৈলকুপা থানার এসআই ওসমান গনি জানান, আসামি সনাক্ত করা গেলেও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
