আড়াইহাজারে বাস যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩০
এখানে পরিবহনে যাত্রী হয়রানি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়,কাউন্টারে দেরি,যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা,দাঁড়িয়ে যাত্রী বহন করে অভিলাস নামক বাস সার্ভিসটি অনেকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। প্রতিদিন ১০/১২ টি বাস যাত্রী নিয়ে রাস্তায় অকেজো হয়ে পড়ে থাকে। তখন যাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ:বর্তমান মহাজোট সরকারের শুরুতেই আড়াইহাজার-ঢাকা সড়কের অন্যান্য বাস সার্ভিস উঠিয়ে দিয়ে রাস্তায় নামে অভিলাস পরিবহন। ৫০ টি পুরানো বাস রং করে রাস্তায় নামানো হয়। প্রথম প্রথম বেশ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে যাত্রীদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা বলে অভিলাসের যাত্রা শুরু হয়েছিল। একাধিক কাউন্টার করে সিটিং সার্ভিস হিসাবে দ্রুত বাস ছেড়ে যেত ঢাকার উদ্দেশ্যে। নির্দিষ্ট সময়ে বাস ছেড়ে যাওয়াতে যাত্রীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অভিলাস পরিবহন। মূলত অন্যান্য বাস সার্ভিসগুলোকে হটিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করার জন্যই অভিলাস পরিবহন প্রথম কয়েক মাস যথাযথ সিটিং সার্ভিসের সেবা দিয়েছে। অন্যান্য বাস সার্ভিসগুলো উঠে যাওয়ার সাথে-সাথে শুরু হয় অভিলাসের তাল-বাহানা। উপজেলা আড়াইহাজার থেকে প্রতিদিন হাজার-হাজার লোক রাজধানী ও তার আশপাশ এলাকায় যাতায়াত করে থাকে। চাকরি সূত্রে প্রতিদিন ঢাকায় যাতায়াত করেন সহস্রাধিক ব্যক্তি। এদের যাতায়াতের প্রধান বাহন যাত্রীবাহী বাস। অভিলাসের তাল-বাহানার কারণে চাকরিজীবীদের এখন চাকরি টিকিয়ে রাখা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্ভোগ সম্পর্কে চাকরিজীবী মো:জামালউদ্দিন বলেন,অভিলাসের বাসগুলোতে হয়রানির শেষ নেই। দীর্ঘ সময় কাউন্টারে দাঁড়িয়ে থেকে সিট পাওয়া যায় না। পূর্বে ভাড়া ছিল ৪০ টাকা। বাড়িয়ে এখন আদায় করা হচ্ছে ৬০ টাকা। সিটিং সার্ভিসের পরিবর্তে চলছে লোকাল সার্ভিস। টিকিট ছাড়া যত্রতত্র যাত্রী উঠানো হয় । যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে হেলপার ও ড্রাইভার একযোগে তেড়ে আসে। যাত্রীদের অভিযোগ শোনার মতো সময় নেই মালিকপক্ষের। কাউন্টারে অভিযোগ করলে স্টাফরা উল্টো হাসাহাসি করে।