পাঁচবিবির সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৩
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দু’টি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের অভাবে নিয়মিত ক্লাস হয় না। ফলে শিক্ষার্থীদের কোচিং ও প্রাইভেট শিক্ষার উপর নির্ভর করে তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হচ্ছে। অপরদিকে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যালয় দুটিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। জানা যায়, বিদ্যালয় দু’টি ১৯৮৭ সালের ১১ ডিসেম্বর সরকারিকরণ করা হয়। পাঁচবিবির লাল বিহারী পাইলট (এল.বি.পি) উচ্চ বিদ্যালয় ও নছির মণ্ডল (এনএম) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষক না থাকায় দিনে ৩/৪টার বেশি ক্লাস হয় না। এ জন্য ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন। এল.বি.পি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, তার বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা ১৯জন। কর্মরত আছেন ৯জন। এর মধ্যে ১জন প্রশিক্ষণে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিসংখ্যা ১০টি। দীর্ঘদিন থেকে প্রধান শিক্ষকসহ গণিত, কৃষি, চারুকারু, সামাজিক বিজ্ঞান, শরীর চর্চা শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এই বিষয়গুলো পড়ানোর কোন শিক্ষক নেই। শিক্ষকের অভাবে প্রতিদিন রুটিনের সব ক্লাস করানো সম্ভব হয় না। পাঠদান বিঘ্নিত হওয়ায় ছাত্ররা চরম সমস্যা ও ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। এন.এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বলেন, তার স্কুলে শিক্ষকের পদসংখ্যা ১৬টি। শিক্ষক আছেন মাত্র ৮ জন। প্রধান শিক্ষকসহ, বাংলা, ইংরেজি, অংক, কৃষি ও চারুকারু বিষয়ের শিক্ষক নেই। বিদ্যালয়ে ছাত্রীসংখ্যা ৫ শতাধিক। প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষক একসঙ্গে ক্লাসে গেলেও দু’টি ক্লাসশিক্ষক শূন্য থাকে। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, শিক্ষক না থাকায় ক্লাস রুটিন দাঁড় করাতে পারছি না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদ্বয় বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে একাধিকবার চাহিদার প্রতিবেদন পাঠিয়েও সাড়া মিলেনি।