কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের এক তরুণীকে একই গ্রামের মনির হোসেন ধর্ষণ করে। গ্রাম্য শালিসের পর ছেলেটি এ তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে মেয়ের পরিবার পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করলে উক্ত যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে শুক্রবার কিশোরগঞ্জ জেল-হাজতে প্রেরণ করে। জানা যায়, উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের এই তরুণী ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে তার নিজ বাড়িতে ধর্ষিত হয়। ধর্ষণের পর মেয়ের মা কটিয়াদী থানায় ১৪ সেপ্টেম্বর ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মনির হোসেন (২১) এর পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে নিয়ে এক শালিসের মাধ্যমে মেয়ের সাথে বিয়ের সিদ্ধান্ত দেয়। সিদ্ধান্তের পর উক্ত মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা করা হয়নি। এবং কোর্টে ২২ ধারায় ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে মেয়েটিকে দিয়ে জবানবন্দি দেয়ায়। জবানবন্দির পর ছেলের পরিবার মেয়েটিকে বিয়ে করাবে না বলে জানিয়ে দেন। মেয়ের পরিবার গ্রাম্য মাতব্বরদের কাছে একাধিকবার ঘোরাফেরা করার পর কোন সদুত্তর না পাওয়ায় অবশেষে কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে মেয়ের মা বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মীর রেজাউল আলমের নির্দেশে কটিয়াদী থানা-পুলিশ বৃহস্পতিবার নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার পাইকান নামক স্থান থেকে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে।
ধর্ষিতার মা বলেন, ছেলেটির পরিবার বাড়াবাড়ি করলে আমিসহ আমার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। কটিয়াদী থানার এসআই, হুমায়ুন কবীর বলেন, মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।
