লবণ ব্যবহার করায় লিচু গাছে মুকুল আসছে না। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লিচু চাষীরা। চাষীরা বলছেন, একশ্রেণীর ব্যবসায়ী গাছে মুকুল আসার আগেই পাতা দেখে বাগান কিনে নেয়, গাছে মুকুল আসার পর ফলের আকার কিছুটা বড় হলে গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার লবণ ছিটিয়ে পানি সেচ দেয়। এতে ওই বছর ফলের আকার বড় এবং পুষ্ঠ হলেও পরে ৪-৫ বছর বাগানে মুকুল আসেনা। এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে শত শত একরের লিচু বাগান। ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ও সাহাপুর ইউনিয়নের বড় একটি অংশে কৃষকদের লিচু বাগানে মুকুলের কোনো নমুনা দেখা যাচ্ছেনা। লিচু চাষী আব্দুল জলিল মন্ডল ওরফে লিচু কিতাব জানান, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে ফল নষ্ট হওয়ার ভয়ে এবং রাতে বাদুরের হাত থেকে লিচু বাঁচাতে রাত জেগে পাহারা দেওয়ার কষ্ট থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য অনেক চাষী আগাম বাগান বিক্রি করে দেন। আর ব্যবসায়ীরা বাড়তি লাভের আশায় গাছে পানি সেচ দেওয়ার সময় গোড়ার মাটিতে লবণ ছিটিয়ে দেন । একাধিক সুত্র জানান, কোনো কোনো এলাকায় চাষীরা সবজি চাষের জমিতেও লবণের ব্যবহার শুরু করেছেন। যা গোটা এলাকার আবাদি ভূমিকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
