জোকস

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:১৩
 জামাল সাহেবের বেশ বয়স হয়েছে। অসুক-বিসুখেও কাবু হয়ে গেছেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন খারাপ কিছু হয়ে যাওয়ার আগেই সব দেনা-পাওনার কথা ছেলে আর ছেলের বৌকে বুঝিয়ে যাবেন। যথারীতি একদিন সকালে ছেলেকে কাগজ কলম নিয়ে বসতে বলে তিনি বলা শুরু করলেন, ‘লেখ, পাশের বাড়ির আলিম সাহেবের কাছে পাঁচ হাজার টাকা পাব, আমার বন্ধু সেলিমের কাছে পাব তিন হাজার টাকা, সমিতিতে আমার নামে জমা আছে আড়াই হাজার টাকা আর...।’ জামাল সাহেবের কথার এই পর্যায়ে ছেলের বৌ খুশি হয়ে বলে উঠল, ‘দেখেছ এই বয়সেও বাবার স্মৃতিশক্তি কত প্রখর!’ খানিকটা বিরতি নিয়ে জামাল সাহেব আবার শুরু করলেন, ‘সামনের চালের দোকানে পাবে তিন হাজার টাকা, মুদি দোকানে ১৬০০ টাকা, সামাদ সাহেব পাবেন সাড়ে চার হাজার টাকা, তোমার ফুপি পাবেন ২৪০০ টাকা...। ’ কথার এই পর্যায়ে জামাল সাহেবকে থামিয়ে দিয়ে ছেলের বৌ আবারও বলে উঠলেন, ‘বাবা আমার মনে হয় আপনার একটু বিশ্রাম দরকার। একসাথে অনেক কিছু মনে করতে যেয়ে আপনার মাথার উপর চাপ পড়ছে তো তাই আপনি প্রলাপ বকছেন!’  ছেলে :বাবা তুমি কি অন্ধকারে লিখতে পারো? বাবা :কেন? কী লিখতে হবে? ছেলে :না তেমন কিছু না। শুধু অন্ধকারে আমার রেজাল্ট কার্ডে একটু সাইন করে দিলেই হবে।  দুই ইঁদুড় কথা বলছে— প্রথম ইঁদুড় :পাশের বাসার বিড়ালটা না অসাধারণ। দ্বিতীয় ইঁদুড় :কী বলছিস। আমি তো শুনেছি ইঁদুড় ধরতে পারে না বলে মালিক ওকে প্রায়ই বকাবকি করে। প্রথম ইঁদুড় :আরে সে জন্যই তো বিড়ালটা এতো অসাধারণ।