ঈশ্বরদীতে এক টাকার কয়েনের ডাবল ব্যবসা চলছে। কনফেকশনারী-মুদি দোকানে চকলেট বিক্রি হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই চকলেট এখন পান-বিড়ির দোকানে, সেবা প্রদানকারী বাসে, হোটেল-রেস্টুরেন্টে, ওষুধের দোকানে লেনদেন হয়। এক টাকা বা কয়েনের বিপরীতে যখন চকলেট গছিয়ে দেয়া হয়, তখন ভোক্তারা বিরক্ত হলেও কিছু করার থাকে না। ঈশ্বরদীর সর্বত্রই এই কারবার চলছে। এক টাকার কয়েন বা নোট সংকটের অজুহাতে কাপড়ের দোকান, যানবাহনের ভাড়া, এমনকি পাবলিক টয়লেটেও চকলেট ব্যবহার হচ্ছে। চকলেটকে এক/দুই টাকার মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হলেও এর কোন প্রতিকার নেই। চকলেট অনেকেই নিতে চান না। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে অহরহ কলহ এবং অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে।
কয়েনের অভাবে রিকশা ভাড়া দিতে না পারলে ১-২ টাকা বেশি দিতে হয়। এক-দুই টাকার নোট বা কয়েনের কিছু ব্যবসায়ী রয়েছে। যারা ব্যাংকের সাথে যোগসাজশ করে খুচরা নোট বা কয়েন সংগ্রহ করে অন্য ব্যবসায়ীদের নিকট শতকরা ১০-২০ ভাগ বাট্টায় ভাঙ্গিয়ে দেয়। অনেক ব্যবসায়ী বাট্টা দিয়ে খুচরা বা কয়েন ভাঙ্গিয়ে নিতে চান না। কয়েনের পরিবর্তে চকলেট ব্যবহার করায় একদিকে বাট্টা দিতে হয় না, আবার চকলেটেও লাভ হয়। অর্থাত্ ডাবল লাভ। ব্যবসায়ীদের ডাবল লাভ হলেও সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি হতে মুক্তি চায়।
