তিন শত কোটি টাকা বিক্রির প্রত্যাশা

ঈশ্বরদীতে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৮
লিচুর রাজধানী ঈশ্বরদীতে মুকুলের মৌ মৌ সুভাষিত গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বাগানগুলোতে হাজার হাজার লিচুর গাছ মুকুলে ভরে গেছে। লিচু চাষিরা বাম্পার ফলনের আশায় মুকুল রক্ষায় এখন ব্যস্ত। উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এবারে ঈশ্বরদীতে ৩ হাজার ২’শ ৫১ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হচ্ছে। লিচু এখন ঈশ্বরদীর প্রধান অর্থকরি ফসল। মৌসুমে ৩’শ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা। ঈশ্বরদীর লিচু চাষের প্রধান এলাকা জয়নগর, মিরকামারী, মানিকনগর, সাহাপুর, ভাড়ইমারী, জগন্নাথপুর ও বক্তারপুর। এরই মধ্যে আগাম কেনা-বেচাও শুরু হয়েছে। বক্তারপুর গ্রামের লিচু চাষি আমজাদ জানান, লিচু গাছের লালুক পাতা আসা শুরু হলেই বাগান বিক্রি শুরু হয়। এরপর মুকুল বিক্রি থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে প্রায় ৩-৪ বার হাত বদল হয়। ইতিমধ্যেই ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যাপারীরা ঈশ্বরদীতে এসে লিচুর বাগান কেনার কাজ শুরু করেছেন। জাতীয় পদকপ্রাপ্ত লিচু চাষি কিতাব মন্ডল ওরফে লিচু কিতাব জানান, গত বছরের চেয়ে এবারে লিচুর মুকুল অনেক বেশি ও ভাল। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খুরশীদ আলম জানান, ঈশ্বরদীতে বিগত মৌসুমে লিচু বিপর্যয় হলেও প্রায় আড়াই’শ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হয়েছিল। চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ২’শ ৫১ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হয়েছে। কোন বিপর্যয় না ঘটলে প্রায় ৩’শ কোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা।