গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে গত শুক্রবার পুলিশের গুলিতে দুই যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে দুই প্লাটুন বিজিবি। এদিকে শুক্রবারের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে পুলিশ বাদী হয়ে পলাশবাড়ি থানায় জামায়াতের আমীরসহ সাড়ে চার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ এখনও নিহতদের লাশ হস্তান্তর করেনি। গুলিবিদ্ধ আরো তিন যুবক রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে নিহত দুই যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা হলেন, উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মুনছুর মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া (২৬) ও একই উপজেলার বড় গোপালপুর গ্রামের আবু রায়হানের ছেলে আবু হাসান ইউসুফ ওরফে কোকিল (২৮)।
জেলা পুলিশ সুপার একেএম নাহিদুল ইসলাম জানান, মজনু ইসলামী ছাত্র শিবিরের ও ইউসুফ যুবদলের কর্মী ছিলেন। জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা ওলামা মাশায়েখের ব্যানারে শুক্রবার এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালায়। তারা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ও পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে কনস্টেবল আবু সুফিয়ান গুলিবিদ্ধ হন। অপরদিকে, জামায়াত গতকাল বাদ আসর জেলা আদর্শ কলেজ মাঠে নিহত দুইজনের গায়েবে জানাজা নামাজ আদায় করেছে। পলাশবাড়ি থানার ওসি আব্দুস সাত্তার জানান, শুক্রবারের ঘটনায় পলাশবাড়ি উপজেলা জামায়াতের আমীরসহ ৯৯ জন নাম উল্লেখ করে মোট সাড়ে ৪ হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন এসআই কোরবান আলী, এসআই ইসমাইল হোসেন ও এসআই আকতার হোসেন। তিন মামলায় এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
