ঢাকার শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপালনকালে অপহরণের পর নিহত পুলিশ সদস্য বাদল মিয়ার লাশ তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দুই দফা জানাজা শেষে গতকাল শনিবার দুপুরে তার লাশ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ফুলঝুড়ি গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। সকালে লাশবাহী পুলিশের গাড়ি মঠবাড়িয়া এসে পৌঁছলে হাজারো মানুষ তার লাশ দেখার জন্য ভীড় জমান। প্রথমবার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় উপজেলার কেন্দ ীয় ঈদগাহ মাঠে। এর আগে বাদলের খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে বক্তব্য দেন স্থানীয় সাংসদ ডাঃ মো. আনোয়ার হোসেন ও পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, গণজাগরণ মঞ্চ বিরোধী জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা পুলিশ কনষ্টেবল বাদলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। পরে নিহতের লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে তার বাবা ও স্ত্রীসহ স্বজনদের কান্নায় এক হূদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এসময় বাবা আবদুল আজিজ সরদার বাকরুদ্ধ কণ্ঠে ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বাদলের স্ত্রী এবং একমাত্র পুত্র জিসানের (১৩) দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান।
