গরম পড়ার সাথে সাথে মাগুরার পাখা শিল্পীরা তালের হাত পাখা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এখানকার তৈরি হাত পাখা ঢাকা, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জেলায় চালান হচ্ছে।
হাত পাখা তৈরি করে প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার বাঁচার পথ পেয়েছে। জানা গেছে, গরম পড়ার সাথে সাথে মাগুরার পাখা পল্লীতে পাখা তৈরি শুরু হয়েছে। মফস্বল শহর ও গ্রামে সাধারণ মানুষের গরমের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় এ তালের হাত পাখা। ফাল্গুন মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পাখার মৌসুম। তাল পাতা কেটে রোদে শুকিয়ে শিল্পীরা শলাকা দিয়ে সেলাই করে তৈরি করেন হাত পাখা। হাত পাখায় নানা ধরনের রঙের ব্যবহার করে তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়। জেলার শিবরামপুর, বাটিকাডাঙ্গা, নিজনান্দুয়ালী, বিনোদপুর, শত্রুজিত্পুরসহ বিভিন্ন গ্রামে পাখা তৈরি হয়। এ সমস্ত গ্রামের প্রায় ৩শতাধিক পরিবার পাখা তৈরির সাথে জড়িত।
পাখা শ্রমিক আব্দুল মজিদ জানান, তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে পাখা তৈরি করছেন। তাদের এলাকায় আব্দুল ছত্তার আক্তারসহ আরও অনেকে পাখা তৈরি করেন। তারা তাল পাতা ৫ টাকা পিচ হিসাবে ক্রয় করে নিয়ে আসেন। এরপর উক্ত পাতা রোদে শুকিয়ে শলাকা দিয়ে সেলাই করে তৈরি করা হয় হাত পাখা। প্রতিটি পাতা থেকে একটি করে পাখা তৈরি হয়। তৈরিতে খরচ হয় ১০ টাকা তারা বিক্রি করে ১৫ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি পিচ পাখা বিক্রি হয় ২৫-৩০ টাকায়।
