পাইকগাছায় এনজিওর ঋণের ফাঁদে

হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৩
এনজিওর ঋণে নিঃস্ব হয়ে মহাসংকটে দিনাতিপাত করছে পাইকগাছা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের হাজার হাজার পরিবার। ঋণের কিস্তি পরিশোধে অনেকে সহায়-সম্বল, ভিটা-বাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করছে আবার অনেকে বেড়াচ্ছে পালিয়ে। উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষই কৃষির উপর নির্ভরশীল। চিংড়ি মাছ এখানকার মানুষের জীবনের আশীর্বাদস্বরূপ হলেও অনেকের জন্য তা অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। বার বার মাছের ঘেরে লোকসান দিয়ে অনেকেই জড়িয়ে পড়েছে এনজিওর ঋণের জালে। প্রায় প্রতিটি পরিবারই কোন না কোনভাবে চিংড়ি চাষের বিরূপ প্রভাবে জনজীবনেও এনে দিয়েছে নানাবিধ সংকট। বাধ্য হয়ে তাই জড়িয়ে পড়ছে ঋণের জালে। ব্যাংক ঋণের জটিলতায় কৃষকের একটি বড় অংশ এ ঋণ সুবিধা হতে বঞ্চিত রয়েছে, অন্যদিকে মহাজনী সুদের হার চড়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই তারা শরণাপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন এনজিওর প্রতি। অনেকে এক এনজিওর ঋণ শোধ দিতে একাধিক এনজিওর ঋণে জড়িয়ে পড়ছে। ঋণ নিয়ে শোধ দিতে না পারলে দল বেঁধে বাড়িতে হানা দেয় এনজিওর মাঠকর্মীরা। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অনেকে আত্মহত্যা ও গৃহবন্দীর খবরও শোনা যায় বিভিন্ন সময়। এ ব্যাপারে বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তারা বলেন, যে উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহীতাদেরকে ঋণ দেয়া হয় তারা সে খাতে টাকা ব্যয় না করে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে লাগানোয় তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।