অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকে ৯-১২-২০১২ এবং ২৩-১-২০১৩ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে দেখা গেছে ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত যদি কোনো ব্যক্তি দেশ ত্যাগ করেন এবং এ সময়ে যদি তার সম্পত্তি বৈধ কোনো মালিকের কাছে বিক্রি বা বৈধ স্বত্ব না দিয়ে যান তবে সে সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি বলে গণ্য করা হবে।
আমাদের পরিবারের সবার জন্ম গোপালগঞ্জ জেলার রায়পাশা মৌজায়। বাপ-চাচারা ঐ গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার জন্মদাতা পিতা ১৯৮৩ সালে এবং মাতা ১৯৯০ সালে ঐ গ্রামের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। আমার জানামতে স্বাধীনতার চল্লিশ বছর আগে থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আমরা এ দেশে ছিলাম এবং এখনো আছি। আমাদের পরিবারের কেউ কোনোদিন ভারতে যায়নি। এবং ভবিষ্যতেও যাবার পরিকল্পনাও আমাদের নেই।
২০১২ সালের ৮ এপ্রিল আমার মা-বাবার নামের জমির সামান্য অংশ আমার বড় দুই ভাই জমি দলিলের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ গোপালগঞ্জ সদর সাবরেজিস্টারের মাধ্যমে আমার নামে দলিল করেছেন। ভিপি সম্পদের ‘খ’ গেজেট প্রকাশের পরে আমাদের ঐ সম্পত্তি ভিপি তালিকায় দেখে আমাদের পরিবারের সবাই হতবাক। সবার মনে একই প্রশ,্ন গোপালগঞ্জের মতো যায়গায় যদি আমরা এ ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হই তবে প্রতিকার পাবো কোথায়?
আমাদের সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির ‘খ’গেজেট প্রকাশিত হবার পেছনে রায়পাশা ভূমি অফিসের এক দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা জড়িত। আমাদের মতো এ ধরনের আরো বহু মানুষ বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ভিপি তালিকায় নাম উঠায় আজ সর্বস্বান্ত। কোনো কূল-কিনারা খুঁজে পাচ্ছে না তারা।
পরিশেষে রায়াপাশা মৌজার বাসিন্দাসহ গোপালগঞ্জের লোকজন যাতে অযৌক্তিকভাব ভিপির তালিকাভুক্তি থেকে রেহাই পেতে পারেন সেজন্য আশু উদ্যোগ নিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নির্মল কুমার দে,
১৩৫ কলেজ রোড, গোপালগঞ্জ
