জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে কর্মচারীদের সন্তানদের পোষ্য কোটায় ভর্তিতে মানবিকদিক বিবেচনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা গেলে কর্মচারীর সন্তানদেরকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির দাবিতে গতকাল রবিবার ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেছে কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। একই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন তারা। দাবি আদায়ে আগামী ৫ মার্চ থেকে তিনদিনের ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন । মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্বাস আলী তালুকদার ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম। সমাবেশে তারা প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে পোষ্য কোটায় ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায় সর্বনিন্ম ২১ নম্বর চাওয়া হলেও ৭/৮জন পরীক্ষার্থী যারা ২০ ও ২১ নম্বর এর মাঝামাঝি নম্বর পেয়েছেন তাদের ভর্তির দাবি জানান। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা গেলে কর্মচারীর সন্তানদেরকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির দাবি জানান তারা। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কর্মচারীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সভা করেন ভিসি অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন। সভায় পোষ্য কোটায় ভর্তির আবেদনের বিষয়টি নিয়ে কেন্দ ীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভায় আলোচনা করা হবে এবং কর্মচারীর সন্তানদের চাকরির বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার আশ্বাস দেয়া হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কর্মসূচি স্থগিত করেন সমিতির নেতা-কর্মীরা। তবে দাবি আদায় না হলে আগামী ৫ থেকে ৭ মার্চ তিনদিনের একই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন তারা। কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্বাস আলী তালুকদার বলেন, শিক্ষকের ক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করে যদি কাউকে পোষ্য কোটায় ভর্তির সুযোগ দেয়া হয় তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে সামান্য কিছু নম্বরের জন্য কেন কর্মচারীর সন্তানদের ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে।
