মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স বা জিএসপি সুবিধা বহালে যেসব ব্যাখ্যা বাংলাদেশ থেকে দেয়া হয়েছে সেগুলোর পুরোপুরি বাস্তবায়ন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া পোশাক শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের নেয়া দৃশমান পদক্ষেপ দেখতে চায় দেশটি। জিএসপি সুবিধা বহাল রাখার পক্ষে সরকারের দেয়া বক্তব্য ও তথ্য-উপাত্ত খতিয়ে দেখা এবং দেশের শ্রম পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শনে আসা উচ্চ পর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধি দল ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বিষয় দুটির উল্লেখ করেছেন বলে জানা গেছে। গতকাল রবিবার দুপুরে পররাষ্ট্র সচিবের কক্ষে এ বৈঠকে প্রতিনিধি দলের নেতা মার্কিন শ্রম বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এরিক বেইল নানা ইস্যুতে কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তিনদিনের সফরে শনিবার প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে গতকাল রবিবার সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। এরই অংশ হিসাবে বেইল বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে। এ সময় শ্রমমান ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সরকারের বক্তব্য শুনেন তিনি। এছাড়া প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে অবস্থানকালে আলাদাভাবে স্থানীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনবেন বলে জানা গেছে। সফরকালে তারা ঢাকার অদূরে তৈরি পোশাক কারখানা এবং খুলনায় চিংড়ি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের জীবন-মান সরেজমিন প্রত্যক্ষ করবেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন।
