গল্প নয় সত্যি

ফুটবল দর্শকের খোঁজে!

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:৩৬
সিঙ্গাপুরের জনপ্রিয় খেলাগুলোর তালিকাতে ফুটবলের অবস্থান সব সময়ই বেশ উপরে। কিন্তু যদি ভুল করেও সিঙ্গাপুরের কোনো মাঠে স্থানীয় দলগুলোর খেলা দেখতে যান তাহলে জনপ্রিয়তার এই পরিসংখ্যানকে নেহাত গাঁজাখুরি বলেই মনে হবে। কেননা দেশটির ফুটবল ভক্তরা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল বা লিভারপুলের মতো দলগুলোর খেলা দেখতে যতটা ভালোবাসেন তার সিকিভাগ ভালোবাসাও তোলা নেই স্থানীয় ফুটবল আয়োজন এস লিগের প্রতি। ফলে জমকালো আয়োজন আর পেশাদারী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও দিনের পর দিন খালি মাঠে অর্থাত্ দর্শকশূন্য মাঠেই গোল করে যেতে হচ্ছে এস লিগের খেলোয়াড়দের। তবে ক্লাব আর ক্লাবের ফুটবলারদের যে এই বাস্তবতাটা ভালো লাগার কথা নয় সে তো বলাই বাহুল্য। আর তাই এবার দর্শকের সন্ধানেই উল্টো মাঠে নেমেছেন দেশটির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ক্লাব ব্যালেস্টিয়ার খালসার ফুটবলাররা। নিজেদের ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ জানাতে তারা এখন সত্যিকার অর্থেই ফুটবল ভক্তদের বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন। অনুরোধ করছেন মাঠে এসে তাদের খেলাগুলো দেখতে। মূলত ব্যালেস্টিয়ার খালসার বর্তমান চেয়ারম্যান এস থাভানেসনের মাথা থেকেই প্রথম এই বুদ্ধিটি আসে। এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমার দলের খেলোয়াড়দের সাথে স্থানীয় অধিবাসীদের জানাশোনা যেমন বাড়ছে তেমনি জন্ম নিচ্ছে আমাদের খেলা সম্পর্কে আগ্রহও। আর কে জানে, হয়তো এই আগ্রহ আর কৌতূহল থেকেই তারা আমাদের এক দুটি খেলা দেখতে আসতে পারেন।’ এ ছাড়া এভাবে অব্যাহত প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে ২০১৩-এর এস লিগে ব্যালেস্টিয়ার খালসার সেন্ট্রাল সিঙ্গাপুরের ছোট্ট মাঠটি দর্শকপূর্ণ হওয়ারও স্বপ্ন দেখেন তিনি। এস থাভানেসন বলেন, ‘যদি স্থানীয় শহর তোয়া পেয়হ’র এক লক্ষ অধিবাসীর মাত্র তিন শতাংশও খেলা দেখতে আসে তাহলেও পূর্ণ হয়ে যাবে তাদের ক্লাব মাঠটি।’ উল্লে¬খ্য, ১২টি দল নিয়ে শুরু হওয়া এস লিগে গেল বছর গড়ে প্রতি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৯৩২ জন দর্শক।