বড়লোক এক রোগী দেখতে তার বাড়িতে গেছেন ডাক্তার। কিন্তু ডাক্তার তাকে তার সমস্যা সম্পর্কে যাই জিজ্ঞেস করেন তাতেই তিনি বিরক্ত হন। অবশেষে বিরক্তি চেপে না রাখতে পেরে তিনি বেশ তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতেই বললেন, ‘কী ডাক্তার হয়েছেন বুঝলাম না! সব যদি আমাকেই বলতে হয় তাহলে আপনি আর কী রোগী দেখবেন!’ রোগীর এই প্রশ্নে বিন্দুমাত্র রাগ না করে ডাক্তার উত্তর দিলেন, ‘দুঃখিত আপনাকে এভাবে প্রশ্ন করার জন্য। তবে আপনি চাইলে এরপর আমার এক বন্ধু ডাক্তারকে পাঠাতে পারি যে তার রোগীদের কোনো প্রশ্ন না করেই চিকিত্সা দেয়।’
‘তা কিসের ডাক্তার আপনার সেই বন্ধু?’-জানতে চাইলেন বিত্তবান রোগীটি।
‘জ্বি, ও হলো পশু ডাক্তার!’-জানালেন চিকিত্সা করতে আসা ডাক্তার।
হোটেল বন্ধ হওয়ার মুহূর্তে একটা গ¬াস ভাঙার জন্য ওয়েটারকে খুব গালমন্দ করছিলেন হোটেল ম্যানেজার। এমন সময় হোটেলে এসে উপস্থিত হলেন এক খদ্দের। তিনি ওয়েটারটিকে ডাক দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা এখন তোমাদের হোটেল গরম কী পাওয়া যাবে বলোতো?’ ম্যানেজারের উপর প্রচণ্ড রেগে থাকা ওয়েটার উত্তরে বলল, ‘জ্বি, এই মুহূর্তে ম্যানেজারের মাথা ছাড়া গরম আর কিছুই হবে না।’
দুই ভদ্রমহিলার মধ্যে কথা হচ্ছে—
:আপনার স্বামী লম্বা না বেঁটে?
:দুটোই।
:আশ্চর্য সেটা আবার কী করে হয়?
:না মানে লম্বা লোকের পাশে দাঁড়ালে ওকে বেঁটে মনে হয় আর বেঁটে লোকের পাশে দাঁড়ালে লম্বা!
