ডেসটিনির সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা ও তদারকির জন্য মহানগরী এলাকার মধ্যে পুলিশ কমিশনার ও জেলায় অবস্থিত সম্পত্তির দায়িত্ব তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে পুলিশ সুপারকে দেয়া হয়েছে।
গত রবিবার এক আবেদনের ওপর ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার এবং সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম সারাদেশে ডেসটিনির যত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে, তার তত্ত্বাবধানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেড ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামে বা ব্যবস্থাপনা কমিটির নামে বা পরিচালকদের কাছ থেকে ক্রোককৃত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি বা অন্য কোনভাবে নিষ্পত্তির জন্য ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২১ ধারানুযায়ী ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা প্রয়োজন। এ কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসাবে মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপারকে নিয়োগ দেয়া হোক।
দুদকের বিশেষ পিপি মীর আবদুস সালাম জানান, এর আগে ৩ দফায় ডেসটিনি ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের মোট ৬৪৫টি ব্যাংক একাউন্ট আদালতের নির্দেশে ফ্রিজ করা হয়।
তিনি জানান, ফ্রিজ করা ৬৪৫টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৭ কোটি টাকা স্থিতি রয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের ক্রোককৃত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ সাড়ে পাঁচশত কোটি টাকার মতো হবে। এছাড়া, সম্প্রতি ডেসটিনি গ্রুপের ৬৭ কোটি টাকার একটি এলসি বাতিল হয়েছে। সবমিলে ডেসটিনির ব্যাংক হিসাবে স্থিতি ও কর্মকর্তাদের ক্রোককৃত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ প্রায় ছয়শ’ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ হয়েছে।
