সড়ক পথে খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহনের কারণে বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। প্রশাসনের কঠোর নির্দেশ থাকার পরও লবণ ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা এভাবে সড়ক পথে লবণ পরিবহন করায় বেড়ে চলেছে দুর্ঘটনা। এতে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। লবণ গলা পানিতে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা।
ডিসেম্বরের শেষদিকে জেলার উপকূলীয় এলাকায় লবণ উত্পাদন শুরু হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখানকার ব্যবসায়ীরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, ঝালকাঠিসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক পথে খোলা ট্রাকে লবণ রপ্তানি করছেন। অভিযোগ রয়েছে, জেলা প্রশাসন সড়ক পথে লবণ পরিবহনে সংশ্লিষ্টদের লবণের নিচে পলিথিন ও উপরে ত্রিপল দেয়ার নির্দেশ দিলেও ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা তা অমান্য করে চলেছেন। ফলে লবণ গলা পানিতে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।
চকরিয়ার মালুমঘাট ও চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সড়ক পথে উন্মুক্তভাবে লবণ পরিবহনের কারণে গলে পড়া পানিতে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। এ কারণে বর্তমানে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা বেড়ে চলেছে। এ প্রসঙ্গে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.জয়নাল আবদীন বলেন, প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে উন্মুক্তভাবে লবণ পরিবহন করা হলে অবশ্যই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
