ক্ষতিপূরণের দাবিতে আজ এক ঘন্টা বন্ধ থাকবে মেলা

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৯
অসহায় প্রকাশকরা ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন বাংলা একাডেমীর কাছে। ক্ষতিপূরণের দাবিতে আজ বিকাল তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত এক ঘণ্টা মেলায় বই বিক্রি বন্ধ রাখবেন তারা। এরপরও যদি ক্ষতিপূরণ দেয়া না হয় তবে বইমেলার শেষ দিন কোন বই বিক্রি করবেন না প্রকাশকরা। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে তথ্যকেন্দ্রের সামনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকালের (বুধবার) মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের ক্ষতিপূরণের কোন লিখিত আশ্বাস না দিলে, ওইদিন বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এক ঘন্টা মেলায় বিক্রি বন্ধ থাকবে। এরপরও যদি কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ে, মেলার শেষ দিন আমরা মেলায় অংশ নেবো না। পুরো দিনই মেলা বন্ধ থাকবে।’ অন্যদিকে, আজ বুধবার বাংলা একাডেমী গঠিত তদন্ত কমিটি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাবে বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। তিনি বলেন, ‘আমরা বুধবারের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে পারবো। এরপর আমরা ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।’ বই মেলার সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য জেনেশুনে রবিবারের অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রকাশক। তারা বলেছেন, যেভাবে আগুন ছড়িয়েছে তা খুবই রহস্যজনক। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পললের স্বত্বাধিকারী এবং জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির পরিচালক (সাংগঠনিক) খান মাহবুব। তিনি বলেন, রবিবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭টি প্রতিষ্ঠানের ২ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়। আমরা অতিদ্রুত ওইসব কমিটির রিপোর্ট দাবি করছি। একইসাথে এ ঘটনার পেছনে যে বা যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি এবং যার বা যাদের গাফিলতির কারণে ঘটনা ঘটলো, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে দেয়া সংস্কৃতি মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, সৃজনশীল এই ব্যবসা চালু রাখতে এর বাইরে সরকারি আনুকূল্যও দরকার।