প্রাণ কেন্দেদ্যালয় সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়ি এবং উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের এক কোণে। ফলে একদিকে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার ঘোষিত শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম অনেকটাই হ্রাস পাচ্ছে বলে মনে করছেন অভিভাবকমহল। আর এসব সমস্যার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি।
জানা যায়, ১৯৩৯ সালে ৩৩ শতাংশ জমির উপর স্থাপন হয় অত্র বিদ্যালয়টি। সরকারিকরণ করা হয় ১৯৭৩ সালে। ১৯৯৫ সালে নরসিংদী জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ও ১৯৯৭ সালে উপজেলার ১৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অত্র বিদ্যালয়টি মডেল হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আজ স্বনামধন্য এ প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এ বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে অনেক অভিভাবক। শিশুদের শারীরিক মানসিক বিকাশের জন্য কোন খেলার মাঠ না থাকায় শরীর চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া বিদ্যালয় সীমানার দু’পাশেই পীচঢালা ব্যস্ততম রাস্তা। ফলে শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন শিক্ষক-অভিভাবকগণ।
এদিকে, বারান্দায় বসিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই বরং সরকার বারান্দায় বসিয়ে পাঠদান বাধ্যতামূলক করেছে। আর তাই বারান্দার ফ্লোরে বিছানো জন্য ম্যাট বা মাদুর বাবদ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রেখেছে বলে জানান স্থানীয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
