গোদাগাড়ীতে আদিবাসীদের সংবাদ সম্মেলন

গ্রামে বিদ্যুত্ সংযোগ ও সড়ক নির্মাণের দাবি

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৭
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ১৮০টির মধ্যে ১৫০টি আদিবাসী গ্রামে বিদ্যুত্ নেই। ফলে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বিঘ্ন ঘটছে। কোথাও ১ কিলোমিটার কোথাও ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ভেঙ্গে স্কুলে যেতে হয় ছেলে-মেয়েদের। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাগুলো পানি কাদায় ভরে যায়। যাতায়াতের সমস্যার কারণে স্কুলগামী ছেলে-মেয়েরা বাড়িতে বসেই সময় কাটায়। এদিকে এসব এলাকায় উত্পাদিত কৃষিপণ্য বহন করে হাটবাজারে নিয়ে যেতে পারে না কৃষকরা। উপজেলার সানাদিঘী গ্রামে ৭৫টি আদিবাসী পরিবার রয়েছে। এই গ্রামের বিজয় রায় বলেন, শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ ও বিদ্যুত্ না থাকার কারণে আদিবাসী ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখতে পারছে না। চৈতন্যপুর গ্রামের রামপদ রাজোয়ার বলেন, গ্রামটিতে ৮০টি আদিবাসী পরিবার রয়েছে। গ্রাম থেকে ২ কিলোমিটার দূরে স্কুলের অবস্থান হওয়ায় অধিকাংশ ছেলে-মেয়ে স্কুলে যেতেও আগ্রহী হয় না। আর যে সমস্ত ছেলে-মেয়ে স্কুলে যায় রাতেরবেলায় আলোর অভাবে লেখাপড়া করতে পারে না। গতকাল বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলনে সমস্যাদি তুলে ধরেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ও জনউদ্যোগের সদস্য-সচিব বিমল চন্দ্র রাজোয়ার। উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুখেন কুমার শ্যামদুয়ার, আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক গনেশ মার্ডি।