জিমন্যাশিয়াম বা
ব্যায়ামাগার বা ফিটনেস
সেন্টার বা সুইমিংপুল রোগ-জীবানু সংক্রমণের একটি অন্যতম মাধ্যম। শরীর সুস্থতার জন্য জিমে গিয়ে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন নানা ক্ষতিকর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াবাহিত রোগে। তাই জিম নির্বাচনের ক্ষেত্রে এবং জিম ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি বিবেচনায় আনার সুপারিশ করেছেন কানাডার অটোয়ার জীবানুবিদ জেসন টেট্রো। গবেষণায় বিশেষজ্ঞগণ দেখতে পেয়েছেন, ফিটনেস সেন্টারের ব্যবহূত বিভিন্ন উপকরণ ইয়োগম্যাটস, বোতলস, পানির পাত্র থেকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণসহ পেটেরপীড়াসহ বিভিন্ন চর্মরোগ হতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় যদি ফিটনেস সেন্টারে খালি পায়ে শাওয়ার নেয়া হয় তবে ভাইরাল ওয়ার্টে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে। ফিটনেস সেন্টার বা
জিম ব্যবহারের ক্ষেত্রে
জীবানুবিদ জেসন টেট্রো ৬টি পরামর্শ দিয়েছেন। এসব পরামর্শগুলো হচ্ছে:
এক: জিমে শাওয়ার নেয়া বা গোসলের সময় খালি পায়ে থাকবেন না।
দুই: জিমে অন্যের ব্যবহূত ম্যাট, সাবান, গরম পানি ব্যবহারে
সতর্ক হোন। এতে জীবানু সংক্রমণের ঝুঁকি বেশী।
তিন: সোনাবাথ বা গরম পানিতে গোসলের সময় পানির তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের বেশী রাখুন। এতে ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে। তবে কম গরম পানিতে গোসল করলে ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন বাড়ে।
চার: জিমে পেপার টাওয়াল ব্যবহার করুন এবং শেয়ারড ইকুইপমেন্টস ব্যবহারের
আগে ভালো করে জীবানুমুক্ত
করে নিন।
পাঁচ: জিমে ব্যবহূত টাওয়াল
লন্ড্রি ওয়াশ করুন এবং অন্যের ব্যবহূত টাওয়াল ব্যবহার
করবেন না।
ছয়: ফিটনেস সেন্টার বা জিম স্বাস্থ্য সম্মতভাবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জীবানুমুক্ত করা হয় কিনা তা জেনে নিন।
