স্বপ্ন এখন টেস্ট ভেন্যুর

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৩, ২১:৩০
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসও পারওয়ার পর এখন দ্রুততম সময়ে এই স্টেডিয়ামের কাজ শেষ করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। একই সঙ্গে বিসিবি পরিকল্পনা করছে, চূড়ান্তভাবে এই স্টেডিয়ামকে আরেকটি টেস্ট ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে এটিই হতে যাচ্ছে বিসিবির মালিকানায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম। আগামী বছর মার্চে বাংলাদেশে ছেলে ও মেয়েদের একসাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের প্রায় তিন মাস আগে আইসিসির কাছে ভেন্যু হস্তান্তর করতে হবে। মার্চে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে ডিসেম্বরের মধ্যে ভেন্যু হস্তান্তর করতে হবে। অর্থাত্ ভেন্যু তৈরির জন্য বিসিবি পাচ্ছে মাত্র সাত মাস সময়! এত স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি পরিপূর্ণ স্টেডিয়াম তৈরি করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে একটা সংশয় থেকেই যাচ্ছে। সংশয়টা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না বিসিবি। তবে বিসিবির গ্রাউন্ড কমিটির চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন ভুঁইয়া বলছেন, এ ক্ষেত্রে আইসিসির কাছে ‘ছাড়’ আশা করছেন তারা, ‘স্টেডিয়াম তৈরি করতে আমাদের নয়মাস সময় লাগবে। যেহেতু বিশ্বকাপ শুরুর তিন মাস আগে ভেন্যু হস্তান্তর করতে হবে, তখন যদি আমাদের কাজও চলতে থাকে আইসিসিও আমাদেরকে এটুকু ছাড় দিতে পারে।’ জানা গেছে, কক্সবাজার স্টেডিয়াম সময়মত তৈরি না হলে বিকেএসপির তিন ও চার নম্বর গ্রাউন্ডে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি। বিষয়টি অস্বীকার করেননি গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার স্টেডিয়াম না হলে বিকেএসপিতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবার পরিকল্পনা নেয়া হতে পারে। তবে কক্সবাজার স্টেডিয়াম হলে বিকেএসপিতে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলানোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে’। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মে মাসের মধ্যে কক্সবাজার স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান। কক্সবাজার স্টেডিয়াম তৈরি হলে বিসিবিও প্রথমবারের মত পূর্ণাঙ্গ একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিজেদের করে নিতে পারবে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মূলত ক্রিকেট স্টেডিয়াম হলেও এটি সরকারের কাছ থেকে লিজ নেয়া। তবে চাইলে বিসিবি এই স্টেডিয়ামটিও নিজেদের নামে করতে পারবে বলে জানালেন লোকমান। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।