১. প্রমথ চৌধুরী’র ছদ্মনাম কী?
উত্তর: বীরবল
২. বীরবল ওরফে প্রমথ চৌধুরী কোথায় বেড়ে উঠেন ?
উত্তর :তারুন্য ও যৌবনের উপাসক ,সামাজিক মিথ্যার শত্রু ,পেগান সৌন্দর্যের ভক্ত, সর্বপ্রকার নীতিশাসনের বিরোধী—কৃষ্ণনগরের জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠেন বীরবল ওরফে প্রমথ চৌধুরী ।
৩. তিনি জ্ঞান সম্পর্কে কী বলেছেন?
উত্তর :তিনি বলেছেন —“জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারিদিক ছড়াইয়া পড়িবে ।”...‘মনোজগতে বাতি জ্বালানোর ’জন্যে সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন ।
৪.বীরবলের পরিচয় দাও।
বিখ্যাত চৌধুরী বংশের সন্তান প্রমথ চৌধুরী কেবল কুলে-মানে অভিজাত ছিলেন তা নয়, মনের দিক থেকেও ছিলেন অভিজাত । বাল্যকাল কেটেছে পাবনায়,কৈশোর কৃষ্ণনগরে, যৌবন বিলেত আর কলকাতায়,বার্ধক্য কলকাতা— শান্তিনিকেতনে
৫.কর্মজীবনে তিনি কী ছিলেন?
উত্তর: ঔপন্যাসিক
৬. তাঁর কয়েকটি বাণী উল্লেখ করো।
উত্তর: সাহিত্যে হাস্যরসের বিশেষ প্রয়োজন । এ বিষয়ে তাঁর বাণী ‘করুণরসে ভারতবর্ষ স্যাঁতসেঁতে হয়ে উঠেছে ।’ তাই ‘বাংলা সাহিত্যের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যই হাসির চর্চা প্রয়োজন’ । তিনি ‘হাসি ও কান্না’ সনেটে বলেছেন: সত্য কথা বলি, আমি ভাল নাহি বাসি / দিবানিশি যে নয়ন করে ছলছল / কথায় কথায় যাহে ভরে আসে জল / আমি খুঁজি চোখে চোখে আনন্দের হাসি ।’
৭ প্রমথ চৌধুরীর মৃত্যু সন লিখ।
উত্তর ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬-এ ।
৮. তিনি ‘আত্মকথায়’ কী বলেছেন?
উত্তর:তনি ‘আত্মকথায়’ বলেছেন—‘আমি ছেলেবেলায় কৃষ্ণনগরেই বাস করতুম সাড়ে এগারো মাস ও হরিপুরে পনেরো দিন । কিন্তু হরিপুর আমরা সঙ্গেই এনেছিলুম, তার মানসিক আবহাওয়াও ।’
৯. প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকার নাম লিখ।
উত্তর : সবুজপত্র
১০.তাঁর শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কী জান?
শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী । দর্শনে বি.এ. অনার্স এবং ইংরেজিতে এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন । উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন । ইংল্যান্ড থেকে বার-এট.ল. পাস করে কিছুদিন কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেছিলেন ।
