শৈলকুপায় কলেজ ছাত্র খুনের ঘটনায় পুলিশের লুকোছাপা

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৩, ২০:১০
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় কলেজ ছাত্র মেহেদী হাসানের হত্যা ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহের জন্য লুকোছাপার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে হত্যা মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয় শৈলকুপা থানা। নিহত মেহেদী হাসান একই উপজেলার হারুনদিয়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে। শৈলকুপা উপজেলার বিএলকে কারিগরি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল মেহেদী। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে খেয়ে এসে ছটাংখালী বাজারে নিজের কম্পিউটার দোকানে ঘুমিয়ে ছিল। সকালে তার বাবা এসে ঝাপের এক কোণা খোলা এবং ছেলের মৃতদেহ দেখেন। তার মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। পায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ কিন্তু আত্মহত্যার নাটক সাজায়। মেহেদী হাসানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে পোস্টমর্টেম রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের ধমক খেয়ে শৈলকুপা থানার পুলিশ নড়েচড়ে বসে। মিজানুর রহমান নামে দহকুলা গ্রামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।