এই শহরে একা

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৩, ১৯:৩৬
আসছে ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। আজকের মেয়েরা পুরুষের পাশাপাশি নিজের যোগ্যতা প্রমাণে চাকরি, পড়াশোনা বা বিভিন্ন কাজে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন। ঘরোয়া গণ্ডী থেকে বেরিয়ে নিজের যোগ্যতায়, নিজের অবস্থান তৈরি করছেন। এ জন্য কর্মস্থল বা পড়াশোনার জন্য তারা পা রাখছেন শহরের বুকে। নিজেদের স্বতন্ত্র মর্যাদা গড়ে তুলতে প্রতিনিয়তই তারা যুদ্ধ করে যাচ্ছেন ব্যস্ত শহরের হাজারো সমস্যার সাথে, এখানেই গড়ে তুলছেন নিজের ভবিষ্যতের ঠিকানা। নতুন শহরের এই নতুন মুখদের নিয়ে আমাদের এবারের মূল আয়োজন। লিখেছেন রিয়াদ খন্দকার এটা তামান্নার প্রথম চাকরি নয় ঠিকই; কিন্তু একেবারে নতুন শহরে বদলি হয়ে নতুন অফিসে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার পাঁচ বছরের চাকরিজীবনে এই প্রথম। চট্টগ্রামে কোম্পানির হেড অফিসে এসে যোগ দিয়েছে দিন-দশেক হলো। প্রথমে প্রমোশন পেয়ে বেশ আনন্দেই ছিল। কিন্তু এখন চিত্রটি একটু ভিন্ন। শুধু নতুন অফিসই নয়, নতুন শহর, নতুন সহকর্মী—সব মিলিয়ে খুব জটিল মনে হচ্ছে এই পরিবর্তন। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে আগের কর্মস্থলের জন্য মন খারাপ। পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও জানা জিনিস ভুল হয়ে যাচ্ছে বারবার। এ জন্য বারদুয়েক সহকর্মীদের সামনে হঠাত্ করে অপ্রস্তুতও হতে হয়েছে তামান্নাকে। মুখোমুখি হতে হচ্ছে নানা ঝামেলার। অন্যদিকে রিমি সবেমাত্র এসএসসি পরীক্ষা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় এসেছে। ঢাকায় নিকটআত্মীয় বলতে কেউ নেই। তাই নতুন কোনো বাসা বা মেস খুঁজতে বেগ পেতে হচ্ছে। প্রথমত বেগ পেতে হয় বাসা খুঁজতে। একা মেয়ে জানলে অধিকাংশ বাড়ির মালিক তাদের বাসা ভাড়া দিতে চান না। ভালো বাসযোগ্য বাসা পেলে তা ভাগ্যের ব্যাপার। তারপর নানা জায়গা থেকে আসা মানুষের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। তেমনই একজন লাবণ্য বলেন, ‘প্রথমদিকে যখন ঢাকায় এসে হোস্টেলে উঠি, সহজে অন্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারিনি। কিন্তু এখন তাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি।’ পরিবার ছেড়ে ঢাকায় আসার পর হোস্টেলে উঠলে অনেকে সহসা অন্য ব্যক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। তাই অবশ্যই হোস্টেলে ওঠার পর নিজের রুমমেটদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। যদি সমস্যা হয় তবে আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করতে হবে। প্রথম পৃষ্ঠার পর থেকে সবাই যেন মিলেমিশে থাকতে পারেন সে দিক খেয়াল রাখবেন। পরিবার ছেড়ে হোস্টেলে ওঠার পর অন্যান্য সদস্যদের পরিবারের সদস্য ভাবতে হবে। তাহলে অনেক সমস্যা সহজেই সমাধান হয়ে যাবে। পড়াশোনা বা কর্মক্ষেত্রের কারণে অন্য জায়গায় আসতে হয়। নতুন জায়গায় যাওয়ার আগে অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন সে জায়গা সম্পর্কে জেনে নিন। তা না হলে একটু অসুবিধায় অনেক বেগ পোহাতে হতে পারে। আর্থিক বা অন্যান্য কারণে পরিবারের সবাই একসঙ্গে থাকা সম্ভব হয় না। নতুন জায়গায় আসার আগে যেখানে যাচ্ছেন সেখানে যদি পরিচিত কেউ থেকে থাকে তাকে অবগত করুন। সেখানে থাকার জন্য একটি ভালো বাসা কিংবা মেস পাওয়া যায় কি-না তার ব্যবস্থা করুন। হঠাত্ ঢাকায় আসার পর কোথায় ভর্তি হওয়া যায় তা নিয়ে অনেককেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং সেন্টার যেখানেই ভর্তি হন না কেন, ভর্তি হওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন। অনেকে অর্থ উপার্জনের জন্য ভুয়া প্রলোভন দেখাতে পারেন। যথার্থ ধারণা নিয়ে তবেই ভর্তি হন। শহরের যানজটের কারণে প্রচুর সময় ব্যয় হয়। তাই নিজ গন্তব্য যেখানে তার আশপাশে বাসা বা মেস নিয়ে থাকতে পারেন। এতে আপনার যাতায়াত সুবিধা হবে। শহরের রাস্তা ও গাড়ি নম্বর মনে রাখবেন যাতে গন্তব্যে পৌঁছতে বিভ্রান্ত না হতে হয়। অনেক সময় সঠিক গাড়ি ও রুট জানা না থাকলে অযথা সময় ব্যয় হয়। যদি রুট সম্বন্ধে জানা না থাকে তবে মনে করে কারও কাছ থেকে আগে থেকেই জেনে নেবেন এতে আপনার পথ সহজ হবে। যাতায়াতের সময় অনেকে পকেট মার কিংবা সন্ত্রাসীদের খপ্পরে পড়ে সহায়-সম্বল হারিয়ে ফেলেন। তাই গাড়িতে ওঠার সময় আপনার ওয়ালেট বা মানিব্যাগ সচেতনতার সহিত খেয়াল রাখবেন। আপনার পোশাক পরিচ্ছেদের দিক খেয়াল করবেন। কাপড় গুছিয়ে রাখুন তাতে রুমের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতের কাছে রাখবেন। মাথাব্যথা, পেইনকিলার জাতীয় ওষুধ কাছে রাখুন। বাইরে কিছু কেনাকাটার আগে যাচাই-বাছাই করে কিনুন। তা না হলে ঠকতে পারেন। শহরে আসার পর নতুন জীবনে অনেক নতুন বন্ধু হতে পারে। নতুন বন্ধু করার আগে যাচাই করে বন্ধুত্ব করুন। তা না হলে ঝামেলায় জড়াতে পারেন। সন্তান যখন পরিবার থেকে দূরে থাকে তখন অভিভাবককেই মূল ভূমিকা রাখতে হবে। দূরে থাকলে খোঁজখবর রাখা যায় না তা নয়। সন্তানের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। এতে কাছ থেকে তাকে জেনে নিতে পারবেন এবং সমস্যার সঠিক সিদ্ধান্তও দিতে পারবেন। যেসব সন্তান দূরে থাকছে তাদের প্রতি অভিভাবকদের যত্নশীল হতে হবে। একাকী থেকেও আপনার সন্তান যেন ভালোভাবে গড়ে উঠতে পারে। প্রস্তুতি যারা পড়াশোনার কারণে কিংবা চাকরির জন্য ব্যাচেলর জীবনযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না কত টাকা লাগতে পারে জীবনযাপনে। আবার পরিবেশেই বা কেমন হয়, কেমন করেই বা খুঁজে নেবেন প্রয়োজনীয় মেস কিংবা কর্মজীবী হোস্টেল। এতকিছু না ভেবে ভবিষ্যত্ কর্মপন্থায় এগিয়ে যেতে প্রস্তুতি নেন। বাসা খোঁজা বাসা খোঁজাটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। সাধারণত বাড়িওয়ালারা একা মেয়েদের বাসা ভাড়া দিতে চান না। তবে ঢাকা শহরের বেশকিছু এলাকায় বাসা পাওয়া যায়। যেমন—শান্তিনগর, মগবাজার, মালিবাগ, আজিমপুর, লক্ষ্মীবাজার, ওয়ারী, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ, তেজগাঁও, কাঁঠালবাগান, আজিজ মার্কেট, কল্যাণপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ি, বাসাবো, খিলগাঁও। এসব এলাকায় ঢোকার পথেই বিভিন্ন দেয়ালে দেখবেন সাঁটানো আছে টু-লেট। তা দেখে যোগাযোগ করলে পেয়ে যেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত সিট, রুম অথবা বাসা। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, বাসা দেখার সময় অবশ্যই মার্জিত হয়ে যাবেন। নতুন চাকরিজীবীদের জন্য কিছু পরামর্শ  নতুন শহরে চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে একটু প্রস্তুতির প্রয়োজন। সেখানকার অফিসের স্ট্রাকচার, ওয়ার্কিং আওয়ার্স, ড্রেস কোড সম্বন্ধে যতটা পারেন খোঁজ নিন। সহকর্মী এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সম্বন্ধেও পুরোপুরি অন্ধকারে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। যদি সম্ভব হয়, ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে সেই অফিসের কোনো কর্মীর সঙ্গে একটু অগ্রিম যোগাযোগ করুন। নতুন অফিসের কাজ যদি আপনার এখনকার কাজের থেকে বেশ খানিকটা আলাদা হয়, তাহলে একটু হোমওয়ার্ক করে নিতে দ্বিধা করবেন না। এর জন্য আপনার ব্যক্তিগত সময় খানিকটা খরচ হলেও, পরে ‘কুইক লার্নার’ হিসেবে বাহবা পাবেন।  মনে রাখবেন, যেকোনো জায়গায় ‘ফার্স্ট ইম্প্রেশন’ খুব গুরুত্ব রাখে। সে জন্য অফিসে প্রথম ক’দিন নিজেকে একটু ফর্মালি পেশ করাই ভালো। সহকর্মীদের নাম মনে রাখা, মন দিয়ে দায়িত্ব বুঝে নেয়া, অফিসের চৌহদ্দি ভালো করে চিনে নেওয়া—সবই প্রথম ক’দিনের কাজের মধ্যে পড়বে। প্রথম থেকেই অফিস গসিপ বা ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া ঠিক নয়। সহকর্মীদের থেকে সাহায্য অবশ্যই চাইবেন কিন্তু তাদের কোনো ব্যক্তিগত প্রশ্ন না করাই সমীচীন।  ধীরে ধীরে নিজের বন্ধু চিনে নিন। সহকর্মীদের মধ্যে সবাই না হলেও দুয়েকজন সমমনস্ক মানুষ অবশ্যই পাবেন। তাদের সঙ্গে সময় বুঝে কাজ এবং কাজের বাইরের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। বাড়ি থেকে আনা কোনো ছোট জিনিস তাকে উপহার দিন। রান্না করে কোনো একটি স্পেশাল ডিশ লাঞ্চ আওয়ারে খাওয়াতে পারেন। নতুন শহরের নানা দিক নিয়ে প্রশ্ন করুন। এভাবেই হয়তো নতুন শহরে নতুন বন্ধুকে একদিন আবিষ্কার করে ফেলবেন।  আঞ্চলিক ভাষা অনেক সময়ই মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব সৃষ্টি করে দেয়। অফিসের সহকর্মীদের মধ্যে চলতে থাকা অনেক আলোচনা, আড্ডা, জোকস থেকে ভাষা না জানার কারণে বাদ পড়ে যেতে পারেন। নতুন সহকর্মীরা যদি অন্য ভাষায় কথা বলতে অভ্যস্ত হন তাহলে যেমন-তেমনভাবে কাজ না চালিয়ে তাদের আঞ্চলিক ভাষা শেখার সহজ গাইডবুক কিনে ফেলুন। দৈনন্দিন কাজে ব্যবহূত সহজ কথাগুলোর প্রতিশব্দ জেনে নিয়ে ডায়রিতে লিখে রাখুন। প্রয়োজনে ব্যবহার করুন। এভাবেই সহকর্মীদের কাছাকাছি পৌঁছে যাবেন। ভাষা ছাড়াও নতুন শহরের সংস্কৃতি এবং উত্সব সম্বন্ধে জেনে নিন। উত্সবের দিন সবাইকে এসএমএস করে শুভেচ্ছা জানাতে ভুলবেন না। সবচেয়ে বড় কথা নিজে থেকে সবকিছু জানতে হবে। নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ  হাসিমুখে ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলুন।  নতুন পরিবেশে, অচেনা পরিজন থেকে বন্ধু নির্বাচন করতে হলে একটু সতর্ক থাকুন।  দলগতভাবে মিশতে চেষ্টা করুন।  ক্যান্টিনে খাবারের সময় একা একা বসে না খেয়ে অন্যদের সঙ্গেও শেয়ার করুন, এতে ঘনিষ্ঠতা বাড়বে।  ফ্রি টাইমে পড়াশোনার বাইরে যেকোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন। এতে মন প্রফুল্ল থাকবে।  হল বা মেসের পরিবেশের সঙ্গেও মানিয়ে নেওয়া উচিত  হল বা মেসের নিয়মানুযায়ী চলুন।  অন্যদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন, টুকটাক নানা বিষয়ে কথা বলুন, এতে অন্যদের সঙ্গে আস্তে আস্তে মানিয়ে চলতে পারবেন।  নিজের বিছানা ও পড়ার টেবিল সব সময় গুছিয়ে রাখুন।  হলে যদি বড় ভাই অথবা বড় আপুরা থাকেন তাদের সম্মান করুন। পড়াশোনা সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় পড়লে তাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন।  ছুটির দিনগুলোয় দল বেঁধে কোথাও ঘুরে আসুন।  নিজের খাবার-দাবারের প্রতি সচেতন থাকবেন। তা ছাড়া টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান যেকোনো জিনিস সাবধানে রাখুন। প্রয়োজনে হল সুপারের কাছে জমা রাখুন।  রুমের সবার ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখুন এবং নিজের পরিচয়পত্রটিও সব সময় সঙ্গে রাখুন।  মানসিক শূন্যতা পূরণের জন্য বিকেলে খেলাধুলা অথবা আড্ডা মারুন।  সময় পেলেই ফোনে পরিবারের সঙ্গে কথা বলুন। সারাদিন কী কী করেছেন ভালো-মন্দ সবই জানান।  তবে যে কারণে আপনি মা-বাবা ছেড়ে এই নতুন পরিবেশে উঠেছেন, তাতে পড়াশোনায় যেন ব্যাঘাত না হয় সেদিকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। এভাবেই দেখবেন আস্তে আস্তে একসময় মনে হবে অচেনা শহরটি আর অচেনা নয়। ক্লাসরুমটি যেন আপনার নিজেরই। এ পরিবেশেও আপনি মানিয়ে নিয়েছেন বেশ। ঢাকা শহরের কয়েকটি মহিলা হোস্টেল স্বর্গ ছাত্রী নিবাস ৩৩/৩/এ, শেফালী গার্ডেন, আজিমপুর রোড। মোবাইল :০১৭৬০২০১৮৭২ সেন্ট জনস গার্লস হোস্টেল ৬১/৫, তেজকুনী পাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫। মোবাইল :০১৮১৫৯৩১১৭৮ শেলটেক জয় ছাত্রী হোস্টেল ২৭/২৮, বীর বিক্রম মঈনুল চৌধুরী রোড, প্লট-১, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩। মোবাইল :০১৭৩৭১১০১৫৪ শান্তি নিবাস ছাত্রী হোস্টেল ২৬/১৮, শেরশাহীসুরী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। মোবাইল :০১৯১৬৮২৯২৫৪ মাদার তেরেসা ছাত্রী হোস্টেল বাসা :১৬, সড়ক :৩/বি, সেক্টর :৯, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইল :০১৭১২১৯০০৩২ বেগম রোকেয়া কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল ৯২০, ব্লক-সি, রোড-৭, খিলগাঁও, ঢাকা। পুষ্পধান ছাত্রী হোস্টেল বাড়ি-৪৫, রোড-১, ব্লক-এ (নিকেতন), গুলশান-১, ঢাকা- ১২১২। নিরাপদ ছাত্রী হোস্টেল ৩৭/৭, আজিমপুর টাওয়ার, মোবাইল :০১১৯৮১৬৮৫০৫, ০১৯২১৩০৩০৬২ ড্যাব ছাত্রী হোস্টেল ৯/১৩, ব্লক-ডি (২য় তলা), লালমাটিয়া, ঢাকা-১২০৭। ফোন :০২-৮১২৮৫৩০, ০১৭১৬৬২২৪০৭, ০১৭১২৯০৬৩৮১ উত্তরা কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল বাড়ি-২৬, রোড-১২, সেক্টর-৩, উত্তরা মডেল টাউন, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইল :০১৭৩৫৬৯২৪৯৫ গার্ডিয়ান হোমস ১২, ইন্দিরা রোড, ফার্মগেট, ঢাকা- ১২১৫। মোবাইল :০১৭৩২০৬৫৯৬৪, ০১৭৩২০৬৫৯৬৮ তরুলতা ছাত্রী নিবাস ৮৩/৪, ৮৩/ ৫, ১৩ মনিপুরীপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫। মোবাইল :০১৯১৬-২৬০৫২৯ অভিজাত ছাত্রী হোস্টেল হাউজ-৯৮, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইল :০১৭৩৫৬৯২৪৯৫