টানা ৩দিনের হরতালে চলনবিলের ক্ষিরা চাষীরা বিপাকে। ১০ টাকা কেজির ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে আড়াই থেকে ৩ টাকা। বর্তমান দেশের বৃহত্ ক্ষিরার মোকাম চলনবিলস্থ তাড়াশ উপজেলার পশ্চিম সীমান্ত ভন্দ্রাবতী নদীর দু’তীর পাইকারের অভাবে ক্ষিরার ছড়াছড়ি। হরতালের কারণে পাইকাররা ট্রাক নিয়ে ক্ষিরার মোকামে আসতে না পারায় কৃষকরা ক্ষিরা নিয়ে বিপাকে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র হতে জানা যায়, ক্ষিরা চাষীরা প্রতিদিন দেড়শ’ থেকে ২শ’ টন ক্ষিরা বাজারজাত করার জন্য ক্ষিরার মোকাম দিঘুরিয়ায় নিয়ে আসে। হরতালের কারণে বিক্রি করতে না পারায় পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে ক্ষিরার ছড়াছড়ি পড়ে গেছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ ও সিংড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ভন্দ্রাবতীর দু’তীরে ৩০টি গ্রামে ৭২০হেক্টর জমিতে ক্ষিরার আবাদ হয়েছে। তন্মধ্যে তাড়াশ থানাতেই ক্ষিরার আবাদের পরিমাণ ৪২০ হেক্টর বলে কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান। ক্ষেতে বিলম্বে ক্ষিরা শুরু হলেও বর্তমানে বাজারজাতের পুরো মৌসুম চলছে। ক্ষিরার মোকাম থেকে পাইকাররা ক্রয় করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে তাড়াশ সিংড়ার ক্ষিরা পৌঁছায়। কিন্তু ঘনঘন হরতালের কবলে পড়েছে এ বছর ক্ষিরা চাষীরা।
