ইন্টার্যাকটিভ হোয়াইট বোর্ডের ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিশ্বজুড়ে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। এর বাইরে অফিস-আদালতেও এসব ইন্টার্যাকটিভ হোয়াইট বোর্ডের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। যার ফলে ইন্টার্যাকটিভ বোর্ডের দিকে ঝুঁকে পড়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান। নানা ধরনের নতুন নতুন ফিচার দিয়ে ইন্টার্যাকটিভ হোয়াইট বোর্ড তৈরিতে মনোযোগী হচ্ছেন তারা। এই তালিকায় এবারে নাম লিখিয়েছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। স্কেচইনসাইট নাম দিয়ে এই ইন্টার্যাকটিভ বোর্ডটি তৈরি করছে তারা। এই বোর্ডে ব্যবহারকারী যেকোনো কিছু দিয়েই লেখালেখি কিংবা আঁঁকাআঁঁকি করতে পারবে। আর যাই কিছু করা হোক না কেন, এর সবকিছুকেই ইন্টার্যাকটিভ গ্রাফিক্সে পরিণত করতে সক্ষম হবে। এ ছাড়া কোনো কিছু আঁঁকা বা লেখার সময়ে আঁঁকা বা লেখা শেষ হওয়ার আগেই এই বোর্ড তা অনুমান করে অসমাপ্ত কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি বিশ্বে যে তথ্য বিস্ফোরণ চলছে, তা মোকাবেলা করতেই এই ধরনের ইন্টার্যাকটিভ বোর্ডের দিকে নজর দিয়েছে মাইক্রোসফট। এখনও পর্যন্ত অবশ্য একদমই সূচনালগ্নে রয়েছে এই বোর্ডের প্রকল্প। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মন্তব্য, এই বোর্ডকে নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তৈরি করতে পারলে প্রযুক্তি বিশ্বে তা ব্যাপক চাহিদা তৈরি করবে এবং বাজারে অত্যন্ত দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করবে এই বোর্ড। চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে যাওয়া মাইক্রোসফটের টেকফেস্ট ইভেন্টে এই ইন্টার্যাকটিভ বোর্ড প্রদর্শন করবে। মাইক্রোসফটের গবেষণাগারের একটি প্রকল্প হিসেবে এটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মাইক্রোসফটের গবেষকরা। তাদের কাছে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, এই ইন্টার্যাকটিভ বোর্ডের জন্য থাকবে একটি বিশাল ডাটাবেজ। এই বোর্ডে কোনো কিছু লেখার সময়েই এই ডাটাবেজ থেকে ড্রয়িং, গ্রাফ, ছবি বা অন্য কোনো ধরনের চিত্রের পরামর্শ পাওয়া যাবে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, বর্তমানে যে ধরনের প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার পাওয়া যায় (যেমন, মাইক্রোসফটের পাওয়ার পয়েন্ট), তার চাইতে অনেক বেশি দক্ষ হবে এই ইন্টার্যাকটিভ বোর্ডে ব্যবহূত সফটওয়্যার।
তরিকুর রহমান সজীব
