সরকারি মডেল স্কুলের ফলাফল

শীর্ষে উল্লাপাড়ার ঝিকরাবন্দর স্কুল

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০১৩, ২০:৪০
সদ্য ঘোষিত প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলে চলনবিলের ৯টি সরকারি মডেল স্কুলের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উল্লাপাড়ার ঝিকরাবন্দর সরকারি মডেল স্কুল এবং সর্বনিম্নে রয়েছে আত্রাই মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৯টি স্কুল থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১শ’ ১৪ জন। সমাপনী পরীক্ষার শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে মাত্র ৩টি মডেল স্কুল। প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট সূত্র হতে জানা যায়, সবদিক দিয়ে মডেল স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষা বিভাগ প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল স্কুল নির্ধারণ করেছে। বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মেধাবী ছাত্র তৈরির লক্ষ্যে শতভাগ পাস। কিন্তু ২০১২ সালের সমাপনী পরীক্ষায় ৬টি মডেল স্কুল থেকে শতভাগ পাস করতে পারেনি। শতভাগ পাসের ৩টি স্কুল হলো চলনবিলের দক্ষিণ প্রান্তের ফরিদপুর উপজেলার ফরিদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাঙ্গুড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পশ্চিম প্রান্তে গুরুদাসপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দিকে সদ্য ঘোষিত বৃত্তির ফলাফলে উল্লাপাড়ার ঝিকরাবন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শীর্ষে রয়েছে। ২৫ জন ট্যালেন্টপুলসহ বৃত্তি পেয়েছে ৩০ জন। তাড়াশ মডেল থেকে ১৫ জন ট্যালেন্টপুলসহ ১৭ জন, গুরুদাসপুর মডেল থেকে ১০ জন ট্যালেন্টপুলসহ ১৪ জন। এ স্কুলটি নাটোর জেলায় শীর্ষে রয়েছে বলে গুরুদাসপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ৫ জন ট্যালেন্টপুলসহ ১৪ জন, শাহজাদপুর মডেল থেকে ৫ জন ট্যালেন্টপুলসহ ৯ জন, সিংড়া মডেল থেকে ৪ জন ট্যালেন্টপুলসহ ৯ জন, ফরিদপুর মডেল থেকে ৩ জন ট্যালেন্টপুলসহ ৮ জন এবং আত্রাই মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২ জন ট্যালেন্টপুলসহ ৫ জন বৃত্তি পেয়েছে। এ উপজেলায় অধিক সংখ্যক বৃত্তি পেয়েছে নওদুলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বলে জানা গেছে। একই অবস্থা দেখা গেছে চাটমোহর উপজেলায়। এ উপজেলায় সাইকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০ জন ট্যালেন্টপুলসহ ১২ জন বৃত্তি পেয়ে উপজেলার শীর্ষে রয়েছে। সিংড়া উপজেলাতেও ১০ জন ট্যালেন্টপুলসহ ১২ জন বৃত্তি পেয়ে একান্ন বিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাটোর জেলার মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ৯টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা অনুপাতে জিপিএ শীর্ষে রয়েছে ভাঙ্গুড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়টি এবারও শতভাগ পাস করেছে। বিগত ৩ বছর পাবনা জেলার শীর্ষ বিদ্যালয় হিসেবে স্থান পায়। উল্লেখ্য ভাঙ্গুড়া উপজেলার বৃত্তির ফলাফলে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ এনে ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকগণ গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছে।