বনবিভাগের অসহযোগিতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে শ্যামনগরে ৩৩ কেভি বিদ্যুত্ সাব-স্টেশন নির্মাণ কাজ। জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার বিদ্যুত্ ব্যবস্থা কালিগঞ্জের অধীনে থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ বিদ্যুত্ ভোল্টেজ থেকে বঞ্চিত। তাছাড়া নতুন লাইন তৈরি না হওয়ার কারণে নতুন মিটার সংযোগ বন্ধ আছে। পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির সদিচ্ছা থাকলেও সাব-স্টেশন না থাকায় সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সমস্যা সমাধানে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের পাশে একটি সাব-স্টেশন তৈরি করার পরিকল্পনা করে এবং কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। কিন্তু শ্যামনগর সাব-স্টেশনের বিদ্যুতের তারের সংযোগ দিতে যেয়ে স্থানীয় বনবিভাগের অসহযোগিতার কারণে শত কোটি টাকার এ প্রকল্পটি ভেস্তে যেতে বসেছে বলে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী শংকর কুমার পাল জানান। স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা বিষয়টি গুরুত্ব অনুধাবন করে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতিকে গাছের ডাল কাটার নির্দেশ দেন। কিন্তু সংযোজনের লাইনে কাজ চলতে থাকায় আবারও বাধার মুখে পড়েছে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি। পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি সাতক্ষীরা সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের মধ্যদিয়ে পিলার বসানোর কাজ শুরু করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও বনবিভাগ সমন্বয়ে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতিকে গাছের মধ্যে পিলার না বসানোর জন্য পত্র দেয়া হয়েছে। তারা প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে গায়ের জোরে পিলার বসানোর কাজ শেষ করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে বনবিভাগ বাধা দেয়। কিন্তু গাছ কাটা বন্ধ না করায় সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
