ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম বলেছেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ধারাকে অব্যাহত রেখে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক জান্তার প্রধান ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে যখন টালবাহানা করছিলেন, সেই মুহূর্তে বাঙালি জাতির পক্ষে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। সেই ভাষণের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি ৯ মাসের যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস উপলক্ষে গতকাল জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ও শহীদ কাজী আরেফ আহমেদ ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা মঞ্চে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের সভাপতি কবি মুহম্মদ আবদুল খালেক।প্রধান আলোচক ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস এমপি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া, মানিক মিয়া পরিষদ ও সাধন সংসদের সভাপতি এডভোকেট কাজী সাজাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, শহীদ কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।
