রেলওয়ের ইঞ্জিন সংস্কার ও মেরামতপূর্বক ট্রেন পরিচালনার জন্য নির্মিত ঈশ্বরদীর লোকোমোটিভ রানিং শেড ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নির্মাণের পর দীর্ঘদিনেও লোকোমোটিভ শেডের উল্লে¬খযোগ্য সংস্কার বা মেরামত হয়নি।
রেল সূত্রে জানা যায়, পাকশী রেল বিভাগের ঈশ্বরদী, পার্বতীপুর ও খুলনায় মোট তিনটি ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং শেড রয়েছে। এর মধ্যে ঈশ্বরদী লোকোমোটিভ রানিং শেডটি সবচেয়ে বড়। ঈশ্বরদী লোকোমোটিভ রানিং শেড থেকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের স্টেশনগুলোর মধ্যে চলাচলকারী যাত্রীবাহী, মালবাহী ও উদ্ধারকারী ৬৮টি ট্রেনের মেরামত, সংস্কার ও ফুয়েলিং করা হয়। কিন্তু রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য এখন পর্যন্ত কোন প্রকল্প নেয়া হয়নি। ঈশ্বরদীর ফতেমোহাম্মদপুরে ১৯২১ সালে নিজস্ব ৫ লাখ ৪৬ হাজার বর্গফুট জায়গার উপর রেলওয়ের দ্বিতীয় বৃহত্ এই লোকোমোটিভ শেড নির্মাণ করা হয়। ইঞ্জিন, কারখানার যন্ত্রপাতি, জমি, স্থাপনাসহ এখানে রয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকার রেলসম্পদ। এখানে ৪৩২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। শেডের ভেতরে রয়েছে ১০টি আন্তঃ রেললাইন। এখানে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রেল ইঞ্জিন মেরামত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আলাদাভাবে একটি ডক নির্মাণের জন্য কয়েক বছর আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কাজ হয়নি। শেডের ইনচার্জ সহকারী যান্ত্রিক প্রকৌশলী জানান, বাজেট স্বল্পতার কারণে তেমন কিছু করা যাচ্ছে না। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো শেডে প্রয়োজনীয় লোকবল নেই। নিরাপত্তা প্রহরীর প্রয়োজন ৭ জন । কিন্তু রয়েছে মাত্র ৩ জন।
