গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত জামায়াত-বিএনপির হরতাল চলাকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগের শত শত মূল্যবান গাছ কেটে পিকেটাররা রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে। পরবর্তীতে এসব গাছ লুট হয়ে গেছে। সওজ বিভাগের উদাসীনতা ও অবহেলার সুযোগে রাতের অন্ধকারে ইতোমধ্যে ওইসব কেটে ফেলা গাছগুলো সুযোগ সন্ধানীরা গোপনে পাচার করে ফেলে। রংপুর-বগুড়া মহাসড়কের গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সীমানা থেকে পলাশবাড়ী সীমানার বিটিসি এলাকা পর্যন্ত মূল্যবান মেহগনি, ইউক্যালিপটাস, রেইনট্রি, আমগাছ এবং গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের ঠুটিয়াপুকুর, ঝালিঙ্গি, দোকানঘর ও পলাশবাড়ী হাসপাতাল সংলগ্ন গাড়ানাটা, গড়িয়া ব্রিজ, রাইসমিল এসব এলাকায় একই ধরনের শতাধিক মূল্যবান সরকারি গাছ কেটে অবরোধ সৃষ্টি করে পিকেটাররা। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শত শত এসব বৃক্ষ সম্পদের মূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। পলাশবাড়ীতে সওজ বিভাগের অফিস থাকা সত্ত্বেও মূল্যবান বৃক্ষ সম্পদ উদ্ধার কিংবা সংরক্ষণের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় সুযোগ সন্ধানী দুবৃর্ত্তরা সহজেই সেগুলো পাচারের সুযোগ পায়।
পলাশবাড়ী সওজের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রেজাউল হক প্রধান বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি তবে হরতালের সময় যে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তখন আমরা নিজেরাই নিরাপত্তাহীনতায় ছিলাম তাই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি। তবে ইতিমধ্যে আমরা পলাশবাড়ি থানায় জিডি করেছি।
