একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী অপরাধের বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেড় হাজার জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের আগের দিন, ভোটের দিন ও পরের দুই দিন মোট চার দিন মাঠে থাকবেন ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ২৪৪ জন জুডিশিয়াল কর্মকর্তাকে নিয়ে ১২২টি ‘ইলেকট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আচরণ বিধি প্রতিপালনে ছয় শতাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ নির্বাচনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬৪০ জন, ১২২টি নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে ২৪৪ জন ও ছয় শতাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সব মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজার ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটিতে ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ২৯ ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। তারা পহেলা জানুয়ারি পর্যন্ত চার দিন বিচারকার্য চালাবেন। একাধিক উপজেলা বা উপজেলার অংশ নিয়ে গঠিত নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিটি উপজেলা বা উপজেলার অংশ বিশেষের জন্য ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচন পূর্ব-অনিয়ম প্রতিরোধ, প্রার্থীদের আচরণ বিধি ভঙ তদারকি এবং ক্ষমতার অপ্রব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনী তদন্ত কমিটি (ইলেকট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) গঠন করা হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য ১২২টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে; সেখানে একটি কমিটির জন্য দু’জন সদস্য অর্থাত্ ২৪৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার এসব কমিটি গঠনের চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন দেখভালে ছয় শতাধিক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাঠে নেমেছেন। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় ১ জন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ভৌগলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত প্রতি ৩-৪টি ওয়ার্ডেও জন্য ১ জন করে, সিটির বাইরে জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় ১-২ জন করে এবং পার্বত্য এলাকায় ভৌগলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত ৩-৪ উপজেলার জন্য ১ জন হারে নিয়োগ দিতে জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে।
