কালকিনি পৌর এলাকার দক্ষিণ ঠেঙ্গামারা গ্রামের এলাকাবাসীর ওপর হামলায় আহত হয়ে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানেও কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হামলা করেছেন পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অলিল হাওলাদার। এতে গ্রামে ও হাসপাতালে হামলার ঘটনায় মহিলাসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত ১০টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়, হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগনেতা অলিল হাওলাদারের সাথে তার চাচাত ভাই খলিল হাওলাদারের স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে অলিল হাওলাদার তার সমর্থকদের নিয়ে এলাকাবাসীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় পরপর ১০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তারা আতংক ছড়ায়। হামলায় আহত হন মিনারা বেগম (৩৫), মেরী বেগম (২৭), রহিম হাওলাদার (৫০), জিটু হাওলাদার (২০) ও বন্যা বেগম (১৯)। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানেও অলিল হাওলাদার ও তার ভগ্নিপতি মন্নান হাওলাদার ওরফে আমজের মন্নানের নেতৃত্বে আহতদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় আহত ইজ্জাতন নেছা (৪৫), কালাম বেপারী (৬০) ও মিনারা হামলার শিকার হন।
রোগীদের ওপর হামলার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মাহাবুব আবির বলেন, ‘আমি তাত্ক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’ এ ঘটনায় আহতদের পক্ষে পলাশ বেপারী (৩৫) নামের একজনকে পুলিশ আটক করায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শুক্রবার দুপুরে থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুন নূর বলেন, ‘বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের অভিযোগে উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। দুটি মামলা নেয়া হবে।’ এ ব্যাপারে অলিল হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহূত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
