সাতকানিয়ায় ভাঙচুরকৃত মন্দির পরিদর্শনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৩, ২১:৫১
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান বুধবার সাতকানিয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাঙচুরকৃত ও অগ্নিসংযোগকৃত দোকান ও মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী জেলা প্রশাসক (এডিসি-এল এ) রাব্বি মিয়া, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম, ভূমি কর্মকর্তা (এসি ল্যাণ্ড) মো. শামসুজ্জামান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার ফরিদুল আলম প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে চরতি বৌদ্ধ মন্দিরের জন্য ২০ হাজার টাকা, নাথপাড়া ক্ষেত্রপাল মন্দিরের জন্য ১৫ হাজার টাকা, বাজালিয়া মন্দিরের জন্য ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় ঘোষণার পরপর উপজেলার চরতি ইউনিয়নের সুইপুরা রূপনগর বৌদ্ধবিহারে জামায়াত-শিবির হামলা চালিয়ে মন্দিরের ফটক ভেঙ্গে ছোট বড় ৬টি বৌদ্ধ মূর্তিসহ ২টি বৌদ্ধ মন্দির ভাঙচুর করে। একইদিন চরতি এলাকার দুলাল চৌধুরী, তপন চৌধুরী ও কার্তিক মল্লিকের মুদি ও খাবারের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ডা. সুখেন্দু বিকাশ চৌধুরী শ্মশান মন্দির ও মন্টু দাশের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। অপরদিকে একইদিন কালিয়াইশ ইউনিয়নে ৩টি মুদি ও ১টি মোবাইলের দোকান ভাঙচুর, মালামালে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়। অপরদিকে একইদিন বাজালিয়া ইউনিয়নে ১টি মন্দির, ঋষি তীর্থ আশ্রম ও ধর্মপুরে নবগ্রহ মন্দিরে ফটক ভাঙচুর করা হয়।