উখিয়ার ১৯ স’মিলে অবাধে চেরাই হচ্ছে নিষিদ্ধ কাঠ

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৫
উখিয়ায় বেআইনীভাবে স্থাপিত ১৯টি করাত কলে দিবারাত্রি চোরাই কাঠ চিরাই বাণিজ্য আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সমপ্রতি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় উখিয়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা বশিরুল আল মামুন সামাজিক বনায়ন প্রকল্পে হাজার হাজার হেক্টর বাগানে সংঘবদ্ধ কাঠ চোর ও বনদস্যুদের হানায় অবাধ গাছ-গাছালি লুটপাট করে স’মিলে সরবরাহ করার অভিযোগ উত্থাপন করেন। ইনানীসহ ব্যবস্থাপনা বনরক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, যেভাবে নির্বিচারে গ্রামীণ জনপদের ফলজ ও বনজ বৃক্ষ উজাড় করা হচ্ছে তাতে আগামী প্রজন্ম দেশের সবুজ সম্পদ সম্পর্কে ধারণা থেকে বঞ্চিত হবে। তিনি এব্যাপারে কাঠ চোরদের শক্ত হাতে দমন করতে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান। ১৯৮৭ সনে তত্কালীন সরকার লট নিলাম প্রথা বন্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি এ উপজেলায় স’মিলের পারমিট সরবরাহ নিষিদ্ধ করে। কিন্তু আইনী জটিলতার সুযোগ নিয়ে উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের মাতবরপাড়ায় ১টি স’মিলে নির্বিচারে বৈধ-অবৈধ কাঠ চিরাই অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার কতিপয় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রকাশ্যে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি সরকার ঘোষিত সংরক্ষিত বন এলাকায় সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে স’মিল স্থাপন করে চোরাই কাঠ চিরাই বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, তত্কালীন ইউএনও মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উখিয়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত ১৩টি অবৈধ স’মিল মালিকদের গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করলেও সিংহভাগ অবৈধ স’মিল মালিক সাড়া দেয়নি।