কমে যাচ্ছে শিমূল গাছ

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৩, ২১:০৫
কালের বিবর্তনে রায়পুরা উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শিমূল গাছ। সেই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে মনোমুগ্ধকর শিমূল ফুলও। ফলে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত তুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। এজন্য শিমূল গাছ রোপণ বা চাষাবাদে সরকারি বা বেসরকারি কোন উদ্যোগ না থাকায় বিলুপ্তির কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল। জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগেও রায়পুরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনাচে কানাচে রাস্তার পাশে চোখে পড়তো অসংখ্য শিমূল গাছ। আর এসব গাছে ফুটন্ত শিমূল ফুলের সমারোহই জানান দিতো এই বুঝি বসন্ত এলো। প্রস্ফুটিত ফুলে পুরো এলাকা এক অপরূপ রূপে সজ্জিত হয়ে উঠতো। যা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। প্রাকৃতিকভাবে গজিয়ে উঠা এসব শিমূলের তুলা দিয়ে লেপ, তোষক, বালিশ ইত্যাদি তৈরি করা যায়। যা ব্যবহারে খুবই আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যসম্মত। আবার এসব শিমূল তুলা গাছ থেকে পেড়ে বাজারে বিক্রি করলে সংসারে কিছুটা হলেও অর্থের যোগান হতো। পাশাপাশি নিজেদের লেপ, তোষক, বালিশের চাহিদা মেটানো হতো। গৌরিপুর গ্রামের শেখ রাশেদ মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, দিন দিন শিমূল গাছ কমে যাওয়ায় দেশি তুলা খুঁজে পাওয়া দুষ্প্রাপ্য। ফলে ১০ বছর আগে প্রতি কেজি শিমূল তুলা বিক্রি হতো ৫০-৬০ টাকায়। এখন তা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩শ’ টাকায়। তিনি আরো জানান, প্রযুক্তির সাথে সাথে বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের প্রতি মানুষ ঝুঁকে পড়ায় শিমূল গাছসহ বিভিন্ন দেশীয় গাছ পর্যায়ক্রমে এদেশ থেকে বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছে।