কটিয়াদী উপজেলার পৌর সদর ও ৯টি ইউনিয়নের ১৫৫টি গ্রামের ২৭ হাজার নলকূপের পানিতে বিগত ৮ বছর যাবত্ আর্সেনিকের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়নি। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি ৩ হাজার ৩৩৪টি ও বেসরকারি ২৩ হাজার ২৪৬টি নলকূপ রয়েছে। ২০০৫ সালে ৯টি ইউনিয়নের ২৫ হাজার ৮২৭টি নলকূপে সরকারিভাবে আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়। তন্মধ্যে ১ হাজার ৬১৩টি নলকূপের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া যায়। গত ৮ বছরের মধ্যে ব্যাপকভাবে আর আর্সেনিকের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়নি। উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে পর্যাপ্ত কিডসের অভাবে নতুনভাবে স্থাপন করা নলকূপগুলোর আর্সেনিক মাত্রা পরীক্ষা করা যাচ্ছে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মঞ্জুরুল হক জানান, ৪৩ জন আর্সেনিক রোগী চিহ্নিত করা হয়। তাদের চিকিত্সা সেবা দেয়া হয়েছে।
