চার মাস বেতন পাচ্ছেন না ৪৭ শিক্ষক কর্মচারী

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৩, ২১:০০
নিয়োগ বাণিজ্য ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মনোনয়ন নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের কারণে ৪ মাস যাবত্ বেতন উত্তোলন করতে পারছে না ভূঞাপুরের লোকমান ফকির মহিলা কলেজের ৪৭ শিক্ষক-কর্মচারী। কলেজের সভাপতি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামান। কলেজের নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে তারই আশীর্বাদপুষ্ট উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানীর সাথে তার বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে লোকমান ফকির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজাহারুল ইসলামকে (সাবেক পৌর কমিশনার) লোকমান ফকির মহিলা কলেজের সভাপতি হিসেবে তার স্থলে মনোনয়ন দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিও লেটার প্রদান করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদন দিলে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে। প্রতিবাদ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং ভূঞাপুর-ঢাকা সড়ক অবরোধ করেন। ৪ মাস চলে গেলেও সভাপতি হিসেবে আজাহারুলের স্বাক্ষরে বেতন উত্তোলন করছে না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। কলেজের নয়া সভাপতি আজাহারুল ইসলাম বলেন, আমি জোর করে সভাপতি হয়নি। এমপি সাহেব আমাকে তার স্থলে সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তা অনুমোদন দিয়েছে। আমি বৈধ সভাপতি। কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানী বলেন, এমপি সাহেব সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর যাকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন গভর্নিং বডি তাকে অনাস্থা দিয়েছে। বর্তমানে কলেজে কোন সভাপতি নেই। সভাপতি স্বাক্ষর ছাড়া বেতন তোলা সম্ভব নয়।